Advertisement

Bihar Son Murder Mother Case: মাত্র ১০০ টাকার জন্য মাকে গলা কেটে খুন করল ছেলে

Bihar Son Murder Mother Case: ঘটনার খবর পেয়ে বৈকুণ্ঠপুর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। রক্তাক্ত অবস্থায় সুমিত্রা দেবীর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ফরেনসিক দল (এফএসএল) ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

son kills mother: মাকে খুন করল ছেলেson kills mother: মাকে খুন করল ছেলে
Aajtak Bangla
  • গোপালগঞ্জ(বিহার),
  • 23 Feb 2026,
  • अपडेटेड 1:29 AM IST

Bihar Son Murder Mother Case: মাত্র ১০০ টাকার জন্য মাকে খুন! বিহারের গোপালগঞ্জে শিউরে ওঠার মতো ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। অভিযোগ, নেশার টাকার দাবিতে বচসার জেরে নিজের মায়ের গলা কেটে হত্যা করেছে ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে ২১-২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এ গোপালগঞ্জ জেলার বৈকুণ্ঠপুর থানার অন্তর্গত উসরি বিন টোলি গ্রামে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত রামভরোসে রাওয়াত দীর্ঘদিন ধরেই নেশায় আসক্ত। শনিবার গভীর রাতে তিনি তাঁর মা সুমিত্রা দেবীর কাছে ১০০ টাকা চান। মা টাকা দিতে অস্বীকার করতেই রাগের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গলা কেটে দেয় বলে অভিযোগ। প্রতিবেশীরা চিৎকার শুনে ছুটে এলেও ততক্ষণে সব শেষ।

ঘটনার খবর পেয়ে বৈকুণ্ঠপুর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। রক্তাক্ত অবস্থায় সুমিত্রা দেবীর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ফরেনসিক দল (এফএসএল) ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

আরও পড়ুন

গোপালগঞ্জের সদর এসডিপিও-২ রাজেশ কুমারের নেতৃত্বে তদন্ত শুরু হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (Bharatiya Nyaya Sanhita)-র সংশ্লিষ্ট ধারায় খুনের মামলা রুজু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে নেশাজনিত বচসাকেই কারণ হিসেবে মনে করা হলেও, অন্য কোনও ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিবাদ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গ্রামের বাসিন্দারা জানান, সুমিত্রা দেবী শান্ত স্বভাবের মহিলা ছিলেন। ছেলের নেশার অভ্যাস নিয়ে তিনি চিন্তিত থাকতেন। স্থানীয়দের মতে, সামান্য টাকার জন্য এমন নৃশংস ঘটনা এলাকায় গভীর আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলছেন, গ্রামে নেশার প্রকোপ বাড়ছে, যা পরিবার ভাঙনের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করে হেফাজতের আবেদন জানানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ আরও স্পষ্ট হবে। একই সঙ্গে অভিযুক্তের মানসিক অবস্থা ও নেশার ইতিহাস সম্পর্কেও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামীণ এলাকাতেও মাদকাসক্তির প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। আর্থিক টানাপোড়েন, বেকারত্ব ও সামাজিক অবক্ষয়ের জেরে পারিবারিক সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রশাসন ও সমাজের যৌথ উদ্যোগ ছাড়া এই প্রবণতা রোধ করা কঠিন বলেই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।

Read more!
Advertisement
Advertisement