বাংলার ভোটের আবহে রাজ্যের তৎকালীন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট কুশলী সংস্থা হিসাবে কর্মরত ছিল ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা I-PAC. আর্থিক দুর্নীতি মামলায় কলকাতায় আইপ্যাকের এবং সংস্থার অন্যতম কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাসভবনে ইডি তল্লাশি চালিয়েছিল। এই সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়। এই ধারাবাহিক পদক্ষেপগুলো রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। সই সময় খোদ মমতা ব্যানার্জী ইডির রেড চলাকালীন পৌঁছে গিয়ে ফাইল ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস ছিনিয়ে নিয়ে আসেন। যা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায়। এরপর ভোটের মুখে চাউর হয়ে যায় IPAC তাদের কাজ বন্ধ করে দিচ্ছে, তখন অনেকেই এটিকে বড় রাজনৈতিক সংকেত হিসেবে দেখতে শুরু করেন। নির্বাচনের ঠিক আগে একটি বড় ক্যাম্পেইন সংস্থা যদি কাজ থামিয়ে দেয়, তাহলে তা যে কোনও দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—তৃণমূল কি কোনও বড় কৌশলগত সমস্যায় পড়েছে? নাকি এর পেছনে অন্য কোনও চাপ কাজ করছে?