সবজি বিক্রি করতেন। প্রতিদিনের মতো সবজি বিক্রি, সংসার চালানো, আয়-ব্যয়ের হিসাব—এই ছিল তাঁর জীবন। কিন্তু ঋণের চাপে পড়ে অনলাইনে এমন একটি পথের সন্ধান পান, যার পরিণতি শেষ পর্যন্ত ওই সাধারণ সবজি বিক্রেতাকে নিয়ে যায় জেল হাজতে। অভিযোগ, ইনস্টাগ্রামের একটি রিল দেখে জাল নোট তৈরির বিষয়ে আগ্রহ তৈরি হয় ওই সবজি বিক্রেতার। আর তারপর টেলিগ্রামের মাধ্যমে এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ, সেখান থেকে নাকি জাল নোট তৈরির প্রশিক্ষণ। আর তারপর নিজের বাড়িতেই বসে ১০০ ও ৫০০ টাকার জাল নোট ছাপানোর অভিযোগ। কিন্তু পুলিশ কীভাবে পৌঁছল ওই সবজি বিক্রেতার কাছে? বাড়ি থেকে কী কী উদ্ধার হল? কতগুলি জাল নোট বাজারে ছড়িয়েছিল? আর অনলাইনে যাঁর কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার অভিযোগ উঠছে, তিনি কে? এই মুহূর্তে তদন্তের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন কিন্তু এখানেই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা গুজরাটের রাজকোটের।