Advertisement

বন্যা, বিপর্যয়ে সরকারি এমার্জেন্সি অ্যালার্ট পাবেন না, ফোনের সেটিংসে এই বদল করুন

দেশজুড়ে এমার্জেন্সি অ্যালার্ট মেসেজ পাঠানো হচ্ছে। শনিবার সেল ব্রডকাস্ট সিস্টেম পরীক্ষা চালিয়েছে। ভবিষ্যতে জনসাধারণ এই পরিষেবাটি নিয়মিত ব্যবহার করবে। এর মানে হল, যখনই ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় বা নিরাপত্তা হুমকির মতো কোনও বড় দুর্যোগ ঘটবে, সরকার সরাসরি ফোনে উচ্চস্বরের জরুরি সতর্কতা পাঠাতে পারবে।

এমার্জেন্সি অ্যালার্টএমার্জেন্সি অ্যালার্ট
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 May 2026,
  • अपडेटेड 4:16 PM IST

দেশজুড়ে এমার্জেন্সি অ্যালার্ট মেসেজ পাঠানো হচ্ছে। শনিবার সেল ব্রডকাস্ট সিস্টেম পরীক্ষা চালিয়েছে। ভবিষ্যতে জনসাধারণ এই পরিষেবাটি নিয়মিত ব্যবহার করবে। এর মানে হল, যখনই ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় বা নিরাপত্তা হুমকির মতো কোনও বড় দুর্যোগ ঘটবে, সরকার সরাসরি ফোনে উচ্চস্বরের জরুরি সতর্কতা পাঠাতে পারবে।

কোনও সাধারণ SMS নয়, যার জন্য ইন্টারনেট বা কোনও অ্যাপের প্রয়োজন হবে না। এটি দুর্বল নেটওয়ার্কেও কাজ করবে, তবে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে।

এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল নেটওয়ার্ক কম থাকলেও কাজ করতে পারেন। এর মানে হল, কল কেটে গেলেও বা ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও অ্যালার্ট পাবেন, কারণ SMS-এর মতো কিউ-তে আটকে থাকে না, বরং সরাসরি টাওয়ার থেকে পাঠানো হয়। তবে, এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে, যদি ফোনে "নো সার্ভিস" সমস্যা দেখা দেয়, অর্থাৎ কোনও টাওয়ার সিগন্যাল না পান, তাহলে এই সিস্টেমটি কাজ করবে না।

সিম ছাড়া ফোনেও সতর্ক বার্তা দেখা যেতে পারে
এই সিস্টেমের আরেকটি বৈশিষ্ট্য ভবিষ্যতে মানুষকে অবাক করে দিতে পারে: এটি নম্বরের উপর নয়, বরং এলাকার উপর কাজ করে। এর মানে হল, যদি ফোন চালু থাকে এবং নেটওয়ার্ক সিগন্যাল পায়, তাহলে সিম ছাড়াও স্ক্রিনে একটি জরুরি সতর্কতা মেসেজ ভেসে উঠতে পারে। এই কারণেই দুর্যোগের সময় এটিকে যোগাযোগের একটি অধিক কার্যকর মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তবুও, কিছু মানুষ এই কভারেজের বাইরে থেকে যাবেন
যদিও এই সিস্টেমটি বেশ উন্নত, এটি সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত নয়। যেসব এলাকায় নেটওয়ার্ক কভারেজ নেই, সেখানকার বাসিন্দারা এই অ্যালার্টগুলো নাও পেতে পারেন। একইভাবে, ফোন বন্ধ থাকলে বা ব্যাটারি কম থাকলে কোনও অ্যালার্ট পাওয়া যাবে না।

এমনকি এরোপ্লেন মোডেও ফোনটি নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে, তাই সেখানে অ্যালার্টটি পাওয়া যাবে না। এছাড়াও, পুরোনো ফিচার ফোন বা যেসব স্মার্টফোনে এই ফিচারটি নেই, সেগুলোও এর আওতার বাইরে থাকবে। কখনও কখনও, ব্যবহারকারীরা নিজেরাই সেটিংসে জরুরি অ্যালার্ট বন্ধ করে দেন, যার ফলেও তারা এই পরিষেবাটি পাবেন না।

Advertisement

ভবিষ্যতের 'জীবন রক্ষাকারী' প্রযুক্তি
ভবিষ্যতে, সেল ব্রডকাস্ট সিস্টেম দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকাঠামোর একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠবে। এটিকে এলাকায় স্থাপিত একটি ডিজিটাল লাউডস্পিকারের মতো ভাবতে পারেন।

যদি সীমার মধ্যে থাকেন এবং ফোনটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, তবে সঙ্গে সঙ্গে একটি সতর্কবার্তা পাবেন। কিন্তু, যদি নেটওয়ার্ক সীমার বাইরে থাকেন বা নেটওয়ার্ক থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন, তবে সতর্কবার্তাটি পৌঁছবে না।

স্পষ্টতই, এই প্রযুক্তিটি দ্রুত, কার্যকর এবং অনেক ক্ষেত্রে জীবন রক্ষাকারী হবে। তবে, এর কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে, যা বোঝা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement