
আজই সকাল ১১টা ৪২ মিনিটে ভারতের অধিকাংশ নাগরিকের স্মার্টফোনে হঠাৎ করে বেজেছে। এই সময় হুট করেই SOS বেজে উঠেছে। পাশাপাশি একটি ফ্ল্যাশ মেসেজও দেখা যায়।
এই মেসেজ হিন্দি এবং ইংরেজিতে লেখা ছিল। এখানে স্পষ্টই লেখা ছিল, ভারত একটি সেল ব্রডকাস্ট সিস্টেম লঞ্চ করেছে। একদম দেশীয় প্রযুক্তিতেই এই কাজটা করেছে ভারত সরকার।
যতদূর খবর, কোনও বড় বিপদের খবর দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই কল ব্রডকাস্টিং সিস্টেমের মাধ্যমে অ্যালার্ট দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার। এটা ছিল একটা টেস্টিং মেসেজ। এর মাধ্যমে দেশের নাগরিকদের মেসেজ পাঠান হয়। মূলত ইংরেজি এবং হিন্দিতে এই মেসেজ পাঠানো হয়। যদিও মেসেজে লেখা ছিল যে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। এটা একটি টেস্টিং মেসেজ।
ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমিউনিকেশন (ডট), মিনিস্ট্রি অব কমিউনিকেশন এবং ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথারিটি (এনডিএমএ) মিলে এই কাজ করছে। এই সংস্থাগুলি চাইছে মোবাইল ডিজাস্টার কমিউনিকেশন সিস্টেম চালাতে। এর মাধ্যমে দেশের মানুষগুলির কাছে কোনও বড় বিপদের সময় খবর পৌঁছে দিতে চাইছে তারা।
ইতিমধ্যেই এনডিএমএ সাফল্যের সঙ্গে ইন্টিগ্রেটেড অ্যালার্ট সিস্টেমকে কাজে লাগিয়েছে। সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অব টেলিমাটিক্স (সি-ডট), যা ভারতের অন্যতম সেরা রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট সংস্থা, তারা তৈরি করেছে।
এই সিস্টেমে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর নিয়মিত কাজ করেছে। এই অ্যালার্ট সিস্টেমের মাধ্যমে তারা ১৩৪ বিলিয়ন এসএমএস ১৯টি ভারতীয় ভাষায় ইতিমধ্যেই পাঠিয়েছে। সাধারণত বড় কোনও বিপর্যয়, আবহাওয়ার ওয়ার্নিং এবং সাইক্লোন ইভেন্টের কথা পৌঁছে দিয়েছে তারা।
মাথায় রাখতে হবে সি-ডট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি। এটি ভারতেই তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমেই দেশের মানুষের কাছে অ্যালার্ট দিতে চাইছে ভারত সরকার।
ইজরায়েলও এই সিস্টেম ব্যবহার করে
ইজরায়েলও দীর্ঘদিন ধরে এই সিস্টেম ব্যবহার করেছে। এর মাধ্যমে তারা মিসাইল, ড্রোন ও রকেট হামলার অ্যালার্ট দেয় সংস্থার নাগরিকদের। এই অ্যালার্টের মাধ্যমেই তারা নাগরিকদের বাঙ্কারে যেতে বলে। আর এখন সেই সিস্টেমই ব্যবহার করতে চলেছে ভারত।