Advertisement

তেল খাবে কম, ছুটবে বেশি! মাইলেজওয়ালা নতুন বাইক আনার প্ল্যান HERO-র

ভারতে যে সেগমেন্টের বাইকের সেল সবচেয়ে বেশি, নিঃসন্দেহে সেই তালিকায় রয়েছে এগিয়ে রয়েছে বাজেট ফ্রেন্ডলি বাইকগুলি। আর এই দিকটির দিকে নজর দিয়েই ভারতের বাজারে  রেট্রো লুকের একটি আধুনিক বাইক আনার জন্য কাজ করছে হিরো মোটোকর্প। 

মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিতে নতুন বাইক আনছে HEROমধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিতে নতুন বাইক আনছে HERO
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 24 Jun 2026,
  • अपडेटेड 1:02 PM IST
  • যে সেগমেন্টের বাইকের সেল সবচেয়ে বেশি, সেই তালিকায় রয়েছে এগিয়ে রয়েছে বাজেট ফ্রেন্ডলি বাইকগুলি।
  • রেট্রো লুকের একটি আধুনিক বাইক আনার জন্য কাজ করছে হিরো মোটোকর্প।
  • বর্তমানে হিরো স্প্লেন্ডর প্রো ক্লাসিক বাইকটির দাম রয়েছে কলকাতার বাজারে ৬০ হাজার টাকা।

এদেশের বাজারে বিস্তর দামি দামি বাইক বিক্রি হয়, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু যে সেগমেন্টের বাইকের সেল সবচেয়ে বেশি, নিঃসন্দেহে সেই তালিকায় রয়েছে এগিয়ে রয়েছে বাজেট ফ্রেন্ডলি বাইকগুলি। আর এই দিকটির দিকে নজর দিয়েই ভারতের বাজারে  রেট্রো লুকের একটি আধুনিক বাইক আনার জন্য কাজ করছে হিরো মোটোকর্প। 

সংস্থাটি একটি পেটেন্ট প্রকাশ্যে নিয়ে আসার পরেই এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হয়েছে। পেটেন্টের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, হিরোর আরও দুটি বাইকের সঙ্গে এই বাইকের যথেষ্ট মিলও রয়েছে।

হিরোর পোর্টফোলিওতে একসময় রেট্রো-লুক স্প্লেন্ডর নামের একটি বাইক ছিল। কোম্পানিটি ২০১৪ সালে এই ছোট, রেট্রো-লুকিং বাইকটি বাজারে এনেছিল, কিন্তু সে সময় এটি বাজার ধরতে পারেননি। তবে, হিরো গ্রুপ আরব বেল্টের দেশগুলোতে প্রায় একই ডিজাইনের একটি বাইক বিক্রি করে। বাহারিন, কাতার, সৌদির মতো দেশে হিরো ইকো 150 বেশ জনপ্রিয় একটি বাইক। এটির একটি কার্গো এডিশনও রয়েছে। 

বাইকটিতে স্পেশাল কী থাকবে?
 
পেটেন্টের ছবি দেখার পর মনে করা হচ্ছে, হিরো এই দুটি বাইকের ডিজাইনের আদলে একটি নতুন বাইক বাজারে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। হিরোর চূড়ান্ত পেটেন্টের ডিজাইনটি পুরোনো স্প্লেন্ডর প্রো ক্লাসিক এবং অন্যান্য দেশে থাকা ইকো 150-এর সঙ্গে বেশ মিলে যাচ্ছে। পাশাপাশি বাইকে থাকছে ছোট আকারের গোলাকার হেডল্যাম্পও।

স্প্লেন্ডার প্রো ক্লাসিক মনে আছে?

২০১৪ সালে স্প্লেন্ডর প্রো ক্লাসিক বাজারে এনেছিল কোম্পানিটি। এর সামনের ও পিছনের ফেন্ডারগুলো ছোট এবং ফ্ল্যাট সিট এটিকে আরও অপশন করে তুলেছে। যদিও এর একটি রেট্রো লুক রয়েছে, হিরো সম্ভবত এটিকে কমিউটার সেগমেন্টের জন্য তৈরি করছে। এতে রয়েছে ফাইভ-স্পোক অ্যালয় হুইল এবং বেশিরভাগ বাইকে পাওয়া যায় এমন টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট সাসপেনশন। বাইকটির ডিজাইন হুবহু স্প্লেন্ডর প্রো ক্লাসিক বা ইকো 150-এর মতো না হলেও, এটি নিঃসন্দেহে উভয় বাইকের আদলেই হতে চলেছে। যেহেতু আজকাল বহু মানুষ বাইক ট্যাক্সি হিসেবে এই বাইকগুলো ব্যবহার করছেন, তাই এর লম্বা সিট এবং আরও বেশি জায়গা এই বাইকগুলোকে ব়্যাপিডো ও ওলা উবেরের জন্যও একটি ভালো অপশন করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

উল্লেখ্য বিষয় হল, বাইক প্রস্তুতকার কোম্পানিগুলো প্রায়ই একাধিক পেটেন্টের জন্য অ্য়াপ্লাই করে। তবে কোনও ডিজাইন বা মডেলের পেটেন্ট করা হয়েছে মানেই এই নয় যে কোম্পানিটি সেই বাইকটি বাজারে আনবে।

এর আগে হিরো ২০১৪ সালে হিরো স্প্লেন্ডর প্রো ক্লাসিক বাইকটি ক্যাফে রেসার রূপে বাজারে এনেছিল। ১০০সিসি সেগমেন্টে রেট্রো স্টাইলিংযুক্ত অল্প কয়েকটি বাইকের মধ্যে এটি ছিল বহু বাইকারের প্রথম পছন্দ। এতে ছিল গোলাকার হেডল্যাম্প, ক্রোমের কারুকাজ, সিঙ্গেল-সিট ডিজাইন এবং কম্প্যাক্ট বডি প্যানেল। বাইকটিতে ছিল একটি ৯৭.২সিসি, এয়ার-কুলড, সিঙ্গেল-সিলিন্ডার ইঞ্জিন যা ৮.২৫ বিএইচপি পাওয়ার এবং ৮.০৫ এনএম টর্ক উৎপন্ন করত।

বর্তমানে হিরো স্প্লেন্ডর প্রো ক্লাসিক বাইকটির দাম রয়েছে কলকাতার বাজারে ৬০ হাজার টাকা (অন রোড প্রাইস)। অন্যদিকে, হিরো ইকো 150 সিসির দাম রয়েছে ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজারের আশেপাশে। ফলে মনে করা হচ্ছে এই দুই বাজেটের মধ্যেই নতুন পেটেন্ট নেওয়া বাইকের দাম রাখবে হিরো। যা মধ্যবিত্তের নিরিখে সস্তাই।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement