
ভারতের বাজারে নিজের ২ বাইককে আপগ্রেড করে দিল হিরো মটোকর্প। এই তালিকায় রয়েছে হিরো এক্সট্রিম ১৬০আর ৪ভি (Xtreme 160R 4V) এবং এক্সট্রিম ২৫০আর (Xtreme 250R)। এই দুই বাইককে নতুন ফিচার্সের সঙ্গে মার্কেটে নামিয়েছে সংস্থা। দুই বাইকেই পাবেন রাইড বাই ওয়্যার থ্রটল কন্ট্রোল, ক্রুজ কন্ট্রোল ও টিএফটি ডিসপ্লে।
এক্সট্রিম ১৬০আর ৪ভি-তে নতুন বডিওয়ার্ক দেখতে পাবেন। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত সিকিউরিটি ফিচার্সও যোগ করা হয়েছে। অন্যদিকে ২৫০আর-এ একটি আপডেটেড ইলেকট্রনিক্স প্যাকেজ পাবেন। সেই সঙ্গে রিয়ার সাসপেনশনে আপডেট দেখতে পাবেন। তাই ঝটপট এই দুই সেরা বাইক সম্পর্কে জেনে নিন।
১৬০আর ৪ভি-এর ফিচার?
আসলে এক্সট্রিম ১৬০আর ৪ভি ২০২৩ সালে প্রথমে বাজারে আসে। এতে রয়েছে হিরোর সাইবারশার্প স্টাইলিং ও নতুন ডিজাইনের বডি প্যানেল। এছাড়াও এতে এলইডি হেডল্যাম্প, অ্যাম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সর, প্রোজেক্টর হাই বিম, এইচ আকৃতির ডিআরএল এবং একটি এইচ আকৃতির টেইল ল্যাম্প পাবেন।
এই বাইকটি লাল ও কালো রঙের ফ্রন্ট হুইল রিম ফিনিশে পাওয়া যাবে। এতে রয়েছে একটি ১৬৩ সিসি অয়েল কুলড, ফোর ভালভ ইঞ্জিন। এতে ১৬.৯ হর্সপাওয়ার এবং ১৪.৬ এনএম টর্ক পাওয়া যাবে। হিরোর মতে, এই বাইকটি মাত্র ৪.৪ সেকেন্ডে ০ থেকে ৬০ কিমি/ঘণ্টা গতি তুলতে পারে।
এতে রয়েছে টিএফটি ডিসপ্লে। এই ডিসপ্লেতে গিয়ার পজিশন, শিফট অ্যাডভাইস, ক্রুজ কন্ট্রোল স্টেটাস ও পেট্রোল কতটা রয়েছে, সেটা জানা যাবে। এছাড়া টার্ন বাই টার্ন নেভিগেশন ও স্মার্টফোন নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ব্লুটুথ কানেকশনও পাবেন এতে।
এক্সট্রিম ২৫০আর-এর কী ফিচার?
এক্সট্রিম ২৫০আর-এ রয়েছে ২৫০ সিসির ইঞ্জিন। সেই সঙ্গে লিকুইড কুল টেকনোলিজও পাবেন। এর ইঞ্জিন ২৯.৬ হর্সপাওয়ার ও ২৫.৩ নিউটন মিটার টর্ক তৈরি করতে পারে। এই বাইকটি মাত্র ৩.২ সেকেন্ডেই ০.৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা স্পিডে পৌঁছে যেতে পারে। এটি কার্বন রেজ, কার্বন হোয়াইট ও কার্বন ব্ল্যাক রঙে পাওয়া যাবে।
দাম কত?
ইতিমধ্যেই এই দুই বাইকের বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছে। ১ নভেম্বর থেকে শুরু হবে ডেলিভারি। হিরো এক্সট্রিম ১৬০আর ৪ভি-এর এক্স শোরুম দাম ১.২৭ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে এক্সট্রিম ২৫০আর-এর এক্স শোরুম দাম হল ১.৯৮ লক্ষ টাকা। এরপর আবার ট্যাক্স যোগ হবে।
তবে এই নিবন্ধটি পড়ে কোনও বাইক কিনবেন না। তাঁর আগে নিজে রিসার্চ করুন। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।