Advertisement

Space Habitat BHEEM: ভিনগ্রহে বাড়ি বানাবে BHEEM প্রজেক্ট, কত বছর লাগবে? বড় আপডেট দিলেন শুভ্রাংশু শুক্লা

Space Habitat BHEEM: ভবিষ্যতে মহাকাশে কীভাবে থাকবে মানুষ? কেমন ভাবে তৈরি হবে বাড়ি? তার ধারণা দিলেন ভারতীয় মহাকাশচারী গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভংশু শুক্লা। যেখানে ভবিষ্যৎ মহাকাশচারীরা কীভাবে পৃথিবীর বাইরে বসবাস করতে পারেন তা অন্বেষণ করা হচ্ছে। তিনি 'ভারতীয় বাসযোগ্য সম্প্রসারণযোগ্য বহির্জাগতিক বাসস্থান' (BHEEM) নামে একটি ধারণা প্রস্তাব করেছেন।

চাঁদ ও মঙ্গলে তৈরি হবে বাড়িচাঁদ ও মঙ্গলে তৈরি হবে বাড়ি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 02 Sep 2026,
  • अपडेटेड 9:47 AM IST

Space Habitat BHEEM: ভারতীয় মহাকাশচারী গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযানের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী গবেষণা ধারণা প্রস্তাব করেছেন। মহাকাশচারীরা কীভাবে পৃথিবীর বাইরে দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পারেন, তা গভীরভাবে অধ্যয়ন করে তিনি বিশ্বের সামনে 'ইন্ডিয়ান হ্যাবিটেবল এক্সপ্যান্ডেবল এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল হ্যাবিট্যাট' বা 'BHEEM'-এর উদ্ভাবনী ধারণাটি তুলে ধরেছেন।

রাশিয়ায় কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে ভারতে ফিরে আসন্ন মহাকাশ অভিযানের প্রস্তুতির পাশাপাশি শুভাংশু শুক্লা এই গবেষণাটি করেছেন। এটি শুধু মহাকাশযান নিয়ে ভাবার পরিবর্তে, চাঁদ বা মঙ্গল গ্রহে অবতরণের পর মানুষ কোথায় এবং কীভাবে বসবাস করবে—এই মৌলিক প্রশ্নের উত্তর খোঁজার একটি প্রচেষ্টা।

 

.

বেঙ্গালুরুর আইআইএসসি ল্যাবে গবেষণা
এই বিশেষ প্রকল্পটির নির্মাণ ও পরিকল্পনা বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স-এর আলোক ল্যাবরেটরিতে করা হচ্ছে। নিজের গবেষণার বিবরণ দিতে গিয়ে  শুভাংশু শুক্লা বলেন, 'আমি যে মহাকাশযানে ওড়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলাম, তার বাইরেও দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবং ভেবেছিলাম যে অবতরণের পর মানুষ কোথায় বাস করতে পারে।' তাঁর গবেষণার মূল বিষয় ছিল মহাজাগতিক বাসস্থান এবং এমন প্রযুক্তি, যা শেষ পর্যন্ত মানুষকে চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহের মতো গন্তব্যে বসবাস ও কাজ করার সুযোগ করে দেবে। এই গবেষণার ফলস্বরূপ অবশেষে বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স-এর অলোক ল্যাবে ভীম (BHEEM) বা ভারতীয় বাসযোগ্য সম্প্রসারণযোগ্য বহির্জাগতিক আবাসস্থল তৈরি করা হয়। এই ধারণাটি মানব মহাকাশযাত্রার পরবর্তী যুগের অন্যতম বড় একটি প্রতিবন্ধকতার সমাধান করে। পৃথিবী থেকে দূরে মানুষের একটি স্থায়ী উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করা।
প্রশিক্ষণের বাইরে চিন্তা: মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা  উৎক্ষেপণ যান ও কক্ষপথ মডিউল বোঝার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ গবেষণাকেও উৎসাহিত করেন।
চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে অবস্থান: রকেটের মাধ্যমে নভোচারীদের অন্য গ্রহে নিয়ে যাওয়া সহজ হলেও, সেখানে নিরাপদে ও দক্ষতার সঙ্গে টিকে থাকাই প্রযুক্তির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
চরম পরিস্থিতি মোকাবেলা: এই বিশেষ সম্প্রসারণযোগ্য আশ্রয়স্থলটি মহাকাশের প্রাণঘাতী তেজস্ক্রিয়তা, চরম তাপমাত্রা এবং বিপজ্জনক পরিবেশ থেকে সুরক্ষা প্রদানের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

Advertisement

আজ থেকে কাজ শুরু করলে ২০ বছরের মধ্যে ফল পাওয়া সম্ভব
মহাকাশচারী জোর দিয়ে বলেছেন যে, পৃথিবীর বাইরে মানুষের স্থায়ী বসতি স্থাপনের প্রত্যাশিত সময়ের কয়েক দশক আগেই এই ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা শুরু করতে হবে।
ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের সময়কালের ওপর জোর দিতে গিয়ে গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুক্লা গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় তুলে ধরেছেন:
দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা: আমরা যদি ২০ বছরের মধ্যে পৃথিবীর বাইরে মানুষ বসতি স্থাপন করতে চাই, তাহলে সেই কাজ আজ থেকেই শুরু করতে হবে, ২০ বছর পরে নয়।
সহজ জীবনধারণ ব্যবস্থা: এই আশ্রয়স্থলে জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, যেমন—শক্তি উৎপাদন, শক্তি সঞ্চয় এবং অক্সিজেনের জন্য বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা থাকতে হবে।
কল্পনার প্রথম ধাপ: অন্য কোনও জগতে ঘর বাঁধার প্রথম ধাপ হলো প্রথম ইটটি গাঁথা নয়, বরং সেই ঘরটি কেমন হতে পারে তা কল্পনা করার সাহস রাখা।

গগনযান অভিযান থেকে ভবিষ্যতের গ্রহ ভ্রমণ পর্যন্ত
গগনযান অভিযান ভারতের মহাকাশ ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে উঠতে চলেছে। এই অভিযান থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা ভারতীয় মহাকাশচারীদের পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে এবং তারপর চন্দ্র ও মঙ্গল গ্রহে দীর্ঘমেয়াদী অভিযানের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি প্রদান করবে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement