
বিদেশি কনটেন্ট প্রোফাইলের বাজার ধরতে JIO আনছে স্বদেশি অ্যাপ। ভিডিও বানিয়ে বাম্পার আয় করবেন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। এতদিন ফেসবুক, ইন্সটাগ্রামের মতো অ্য়াপগুলি ব্যবহার করেই কনটেন্ট তৈরি করা হত। এবার এআই চালিত সম্পূর্ণ স্বদেশি কন্টেন্ট ক্রিয়েটার প্ল্যাটফর্ম অ্যাপ JAMS আনছে রিলায়েন্স। রিলায়েন্সের AGM থেকে বড় ঘোষণা জিওর। জিওস্টার জেনএআই মিডিয়া স্টুডিও বা জ্যামস (JAMS)-এই প্ল্যাটফর্মটির নাম রাখা হয়েছে।
JAMS অ্যাপ দিয়ে কী করা যাবে?
JAMS অ্যাপটি আইডিয়া তৈরি ও স্টোরি টেলিং থেকে শুরু করে ছবি, অডিও এবং ভিডিও তৈরি করা পর্যন্ত সব কিছুতে সহায়তা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল নতুন প্রজন্মের ক্রিয়েটর তৈরি করা। যারা স্টোরি টেলিংয়ের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মিলিয়ে ভারত এবং বিশ্বজুড়ে দর্শকদের জন্য কনটেন্ট তৈরি করতে পারবেন।
এমনিতে জিও দর্শকসংখ্যা নিয়ে জিওস্টার ভারতের মিডিয়া বাজারে নেতৃত্ব দেয়। এই প্ল্যাটফর্মটির লক্ষ্য হল ভারতের বিভিন্ন ধরনের দর্শকদের জন্য নানা ভাষা ও ফরম্যাটে কনটেন্ট তৈরি করা।
এই উদ্যোগটি মিডিয়া প্রোডাকশনে বৃহৎ পরিসরে জেনারেটিভ এআই প্রয়োগ এবং ভারত ও বিশ্বব্যাপী দর্শকদের জন্য উৎকৃষ্ট মানের কনটেন্ট তৈরির লক্ষ্যে কোম্পানিটির সর্বশেষ প্রচেষ্টা।
শুক্রবার রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ৪৯তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই উদ্যোগটি ঘোষণা করে আকাশ আম্বানি বলেন, জ্যামস-এর লক্ষ্য হল এমন এক নতুন প্রজন্মের সৃজনশীল প্রযুক্তিবিদ তৈরি করা, যারা গল্প বলার কৌশলের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) মিলিয়ে বিভিন্ন ভাষা ও মাধ্যমে উন্নত মানের কনটেন্ট নির্মাণ করতে পারবেন।
এই ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন জিও আর হট স্টার একত্র হওয়ার এক বছর সম্পন্ন হয়েছে। জিওস্টার, জিও স্টুডিওস ও নেটওয়ার্ক১৮ একত্রে মিলে এটি তৈরি করেছে, যাকে আম্বানি ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী মিডিয়া ইকোসিস্টেম হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ব্যবসাটি ২০২৬ অর্থবর্ষে ৩৪,৯১৭ কোটি টাকা রাজস্ব, ৫,৮৪২ কোটি টাকা ইবিআইটিডিএ এবং ৩,৪৩৪ কোটি টাকা নিট মুনাফা অর্জন করেছে।