
সাধারণ মেসেজিং অ্যাপ হিসেবে থাকতে চাইছে না WhatsApp। বরং তারা প্রিমিয়াম প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। এমন পরিস্থিতিতে হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস আনতে চলেছে সংস্থা। এটা একটা সাবস্ক্রিপশন সার্ভিস। এই সার্ভিস ব্যবহারের জন্য ইউজারকে টাকা দিতে হবে।
বর্তমানে কিছু আইফোন ব্যবহারকারী এই সাবস্ক্রিপশন প্ল্যান ব্যবহার করতে পারছেন। তবে আগামিদিনে সকলেই এটা ব্যবহার করতে পারবেন। তাই ইতিমধ্যেই এর বিটা ভার্সন নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে দিয়েছে।
মাথায় রাখতে হবে, বেশ কিছু দিন আগে ভাইরাল হয়েছে হোয়াটস অ্যাপ প্লাস নামে একটি জালি অ্যাপ। এই অ্যাপ ব্যবহারকারীরা অনেক বেশি ফিচার্স পাবেন বলে দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু সেই অ্যাপটি স্ক্যাম ছিল বলে খবর। যদিও এখন কোম্পানি নিজেই হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস নিয়ে এসেছে। তারা আগের হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস অ্যাপ ব্যবহার বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছে।
টাকা দিয়ে মিলবে কী?
হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস অ্যাপটি ব্যবহার করতে লাগবে টাকা। আর এই অ্যাপে বেশ কিছু ভাল ফিচার মিলবে। এই অ্যাপে পার্সোনাল এবং কাস্টোমাইজ ফিচার পাওয়া যাবে। এতে কলিং এবং মেসেজিং থাকবে ফ্রি। কিন্তু এর লুক এবং ফিচার্স বদলে যাবে।
নয়া এই অ্যাপে ১৮টি নতুন থিম কালার মিলবে। নীল, লাল, হলুদের মতো রং বেছে নিতে পারবেন। এছাড়া ফোনে বদলে যাবে আইকন। কোম্পানির ১৪টি আইকনের মধ্যে একটি বেছে নেওয়া যাবে।
নতুন থিমস, নতুন স্টিকার
নয়া এই অ্যাপে প্রিমিয়াম স্টিকার মিলবে। এগুলিতে অ্যানিমেটেড এফেক্ট পাওয়া যাবে। এছাড়া পিন চ্যাটসে বদল দেখতে পাবেন। বর্তমানে ৩টি চ্যাট পিন করা যায়। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস আনার পর ২০টি চ্যাট পর্যন্ত পিন করা যেতে পারে। যাঁদের কাছে প্রচুর বিজনেস চ্যাট থাকে, তাঁদের জন্য এই ফিচার দারুণ কাজ করবে। এছাড়া চ্যাট ম্যানেজমেন্ট এবং গ্রুপ চ্যাটের ক্ষেত্রেও দারুণ কিছু ফিচার মিলবে বলে খবর মিলছে।
কত টাকা দিতে হবে?
যতদূর খবর, এই সার্ভিসের দাম ২.৪৯ ইউরো প্রতিমাস রাখা হতে পারে। অর্থাৎ ভারতীয় টাকায় এর দাম হতে পারে ২৮০ টাকা। যদিও দেশ অনুযায়ী এর দাম আলাদা আলাদা হতে পারে বলে খবর।
যদিও একাংশের টেক বিশেষজ্ঞ বিষয়টা নিয়ে একবারেই খুশি নন। তাঁদের দাবি, এখন যেই সব ফিচার ফ্রিতে মিলছে, সেটার জন্যও ভবিষ্যতে টাকা দিতে হতে পারে। তাই এমন একটা সার্ভিস আনা হয়েছে। যদিও সংস্থার তরফে এই বিষয়ে কিছুই জানান হয়নি।