
WhatsApp নিজের সাম্প্রতিক বিটা টেস্টিংয়ে সিম বাইন্ডিং সার্ভিসকে পরীক্ষা করে দেখছে বলে খবর। এই সার্ভিস একবার চালু হয়ে গেলে আর অ্যাক্টিভ সিম কার্ড ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না WhatsApp। এমনটাই দাবি Wabetainfo নামক একটি সংস্থার। আসলে ইতিমধ্যেই ভারত সরকার ওটিটি অ্যাপের সিম বাইন্ডিং নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে। সেই মতো কাজ শুরু করেছে এই মেসেজিং অ্যাপ।
Wabetainfo পোস্ট করে জানিয়েছে যে এই মেসেজিং অ্যাপ ভারত সরকারের সিম বাইন্ডিং নিয়ম মেনে চলতে চাইছে। তাই তারা এবার থেকে শুধুমাত্র অ্যাক্টিভ সিমকার্ড থাকলেই WhatsApp অ্যাকাউন্ট চালু রাখবে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। WhatsApp-এর বিটা অ্যান্ড্রয়েড ২.২৬.৮.৬ আপডেটেই ভারতের এই সিম লিঙ্কিং নিয়মের টেস্টিং হচ্ছে বলে খবর।
সিম বাইন্ডিং রুলটা কী?
এতদিন পর্যন্ত একবার মোবাইলে WhatsApp চালু হয়ে গেলে, যেই নম্বর দিয়ে WhatsApp ব্যবহার হচ্ছে, সেটা ফোনে না থাকলেও কোনও সমস্যা হতো না। দিব্যি চলত এই মেসেজিং অ্যাপ। তবে সিম বাইন্ডিং নিয়ম আনার ফলে এই কেরামতি বন্ধ হতে চলেছে। এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনও মেসেজিং বা কমিউনিকেশন অ্যাপ ব্যবহারের জন্য সেই ফোনে নির্দিষ্ট সিমটি অ্যাক্টিভ অবস্থায় থাকতে হবে। ফোন থেকে সিম বের করে নিলে বা অ্যাক্টিভ না থাকলে মেসেজিং অ্যাপ কাজ করবে না।
আর এটা নতুন কিছু নিয়ম নয়। ইতিমধ্যেই সব ইউপিআই অ্যাপকে এই নিয়ম মেনে চলতে হয়। আর সেই নিয়মই এখন সব মেসেজিং অ্যাপকেও মেনে চলতে হবে।
ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে জানিয়েছে Wabetainfo। তারা পোস্ট করে জানিয়েছে গোটা বিষয়টা। তাদের পোস্টে জানা গিয়েছে যে সিম বাইন্ডিং রুল এবার থেকে WhatsApp-কেও মেনে চলতে হবে।
বর্তমানে WhatsApp-এর নিয়মটা কী?
এখনও হোয়াটস অ্যাপে সিম বাইন্ডিং রুল নেই। লগইনের সময় শুধু ৬ ডিজিট ভ্যারিফিকেশন কোড দিতে হয়। একবার লগইন করার পর WhatsApp দেখে না যে সিম অ্যাক্টিভ রয়েছে কি না। তবে সিম বাইন্ডিং রুল চালু হওয়ার পর এমনটা সম্ভব হবে না।
কেন এই নিয়ম চাইছে সরকার?
এই নিয়ম আনার কারণ জানিয়েছে সরকার। টেলিকমিউনিকেশন দফতরের দাবি, পুরনো নম্বরের যাতে খারাপ ব্যবহার না হয়, সেটাই এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি সাইবার স্ক্র্যামারদের আটকে দেওয়াও সিম বাইন্ডিংয়ের অন্যতম লক্ষ্য বলেও জানান হয়েছে।