Advertisement

Bajaj Pulsar N160 না Honda SP160; কার জন্য কোন বাইকটি উপযুক্ত? যুক্তিসহ বুঝুন

Pulsar N160 vs Honda SP160 Comparison: কমিউটার বাইক। প্রতিদিনের অফিস যাতায়াত। টুকটাক বাজার ঘাট। আড্ডা মারতে যাওয়া। এটুকু পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু মাঝে মাঝে উইকেন্ডের লং রাইড। শেষেরটায় একটু হোঁচট খেলেন? আসলে নতুন জেনারেশনের ক্রেতারা বাইক কেনার সময় ট্যুরিংয়ের চিন্তাটিও মাথায় রাখেন।

এই সেগমেন্টের বাইক যেমন অফিস যাতায়াতের জন্য আরামদায়ক, তেমনই কিছুটা স্পোর্টি ফিলও দেয়।  এই সেগমেন্টের বাইক যেমন অফিস যাতায়াতের জন্য আরামদায়ক, তেমনই কিছুটা স্পোর্টি ফিলও দেয়।  
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 22 May 2026,
  • अपडेटेड 6:04 PM IST
  • নতুন জেনারেশনের ক্রেতারা বাইক কেনার সময় ট্যুরিংয়ের চিন্তাটিও মাথায় রাখেন।
  • মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের পক্ষে একাধিক বাইক কেনা অসম্ভব।
  • ভারতের ১৬০ সিসি সেগমেন্টে দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতিযোগিতা তুঙ্গে।

Pulsar N160 vs Honda SP160 Comparison: কমিউটার বাইক। প্রতিদিনের অফিস যাতায়াত। টুকটাক বাজার ঘাট। আড্ডা মারতে যাওয়া। এটুকু পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু মাঝে মাঝে উইকেন্ডের লং রাইড। শেষেরটায় একটু হোঁচট খেলেন? আসলে নতুন জেনারেশনের ক্রেতারা বাইক কেনার সময় ট্যুরিংয়ের চিন্তাটিও মাথায় রাখেন। মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের পক্ষে একাধিক বাইক কেনা অসম্ভব। একটি বাইকেই সব প্রয়োজন মেটাতে হবে। সেই কারণেই ১৬০ সিসির বাইকের কাটতি বাড়ছে বাজারে।

সেই বাজারে নজর রেখেই ২০২৬ সালের আপডেটেড পালসার N160 এনেছে বাজাজ। ফিচারে ঠাসা। স্পোর্টি।

অন্যদিকে এই সেগমেন্টেই দেদার কাটতি Honda SP160-র। স্মুদ ইঞ্জিন। ভাল ফিট অ্যান্ড ফিনিশ।

এমতাবস্থায় শহরের রোজকার যাতায়াতের জন্য কোন বাইক বেশি উপযুক্ত? আবার হাইওয়েতে কার দাপট বেশি? সেই প্রশ্নেরই উত্তর খোঁজা হল এই প্রতিবেদনে। 

ভারতের ১৬০ সিসি সেগমেন্টে দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতিযোগিতা তুঙ্গে। আসলে এই সেগমেন্টের বাইক যেমন অফিস যাতায়াতের জন্য আরামদায়ক, তেমনই কিছুটা স্পোর্টি ফিলও দেয়।  

ডিজ়াইনের দিক থেকে কে এগিয়ে?
বাজাজ পালসার N160-র ডিজ়াইন বরাবরই অনেক বেশি অ্যাগ্রেসিভ। সামনে প্রজেক্টর LED হেডল্যাম্প, মডার্ন লুকিং DRL, মাসকুলার ফুয়েল ট্যাঙ্ক এবং আন্ডারবেলি একজস্ট। বাইকটি নিঃসন্দেহে বেশ স্পোর্টি। নতুন 2026 মডেলে গোল্ডেন USD ফর্ক। সেই কারণে আরও প্রিমিয়াম একটা ব্যাপার এসেছে।

অন্য দিকে Honda SP160 সেই তুলনায় অনেক বেশি পরিমিত এবং মার্জিত ডিজ়াইনের। SP125 এর ডিজ়াইন ল্যাঙ্গুয়েজ সিম্পল। LED হেডল্যাম্প, স্পোর্টি ট্যাঙ্ক ডিজ়াইন এবং ক্রোম ফিনিশের একজ়স্ট। যাঁরা খুব বেশি চড়া স্পোর্টি লুক পছন্দ করেন না, তাঁদের কাছে SP160 বেশি উপযুক্ত হতে পারে।

ইঞ্জিন ও পারফরম্যান্সে কে এগিয়ে?
পারফরম্যান্সের নিরিখে Pulsar N160 কিছুটা এগিয়ে। ইঞ্জিন বেশি পাওয়ার জেনারেট করে। হাইওয়েতে ওভারটেক বা দ্রুত গতিতে চালানোর সময় বাড়তি কনফিডেন্স পাবেন।
দু’টি বাইকেই সিঙ্গল সিলিন্ডার এয়ার/অয়েল কুলড ইঞ্জিন এবং ৫-স্পিড গিয়ারবক্স রয়েছে। তবে Pulsar N160 র ওজন কিছুটা বেশি হওয়ায় হাইওয়েতে অনেক বেশি স্টেবিলিটি পাবেন।

অন্য দিকে Honda SP160 তুলনামূলকভাবে হালকা। শহরের ট্র্যাফিকে চালানো সহজ। যানজটের মধ্যে বাইক ঘোরানো বা ধীর গতিতে চালানোর ক্ষেত্রে SP160 অনেক বেশি আরামদায়ক।

Advertisement

মাইলেজের ক্ষেত্রেও Honda-কে কিছুটা এগিয়ে রাখা যেতে পারে। তবে তাতে খুব বেশি যে পালসারের সঙ্গে পার্থক্য হবে, এমনটা কিন্তু নয়। 

ফিচারের দিক থেকে এগিয়ে Bajaj
তবে আজকাল শুধু ইঞ্জিন নয়, বাইকের প্রযুক্তিও ক্রেতাদের কাছে বড় বিষয়। সেই দিক থেকে Pulsar N160 তে অনেক বেশি মডার্ন প্যাকেজ পেয়ে যাবেন।

নতুন মডেলে রয়েছে;
ডুয়াল চ্যানেল ABS
একাধিক ABS রাইড মোড
USD ফর্ক
অ্যাসিস্ট ও স্লিপার ক্লাচ
ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি
নেভিগেশন সাপোর্ট
USB চার্জিং

Honda SP160 তেও ব্লুটুথ ও অনেক আধুনিক ফিচার রয়েছে। তবে হার্ডওয়্যার এবং সেফটির দিক থেকে Pulsar N160 অনেকটাই এগিয়ে। তাছাড়া ডুয়াল চ্যানেল ABS এবং বড় ডিস্ক ব্রেক পাবেন। 

কার জন্য কোন বাইক উপযুক্ত?
যাঁরা একটু স্পোর্টি রাইডিং এক্সপেরিয়েন্স চান, মাঝে মধ্যে লং রাইড করেন এবং বেশি ফিচার পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য Pulsar N160 বেশি উপযুক্ত।

অন্যদিকে যাঁদের মূল প্রয়োজন সিটি কমিউটিং, একটু সাটল স্টাইল পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য Honda SP160 অনেক বেটার অপশন।

তাছাড়া Honda র ৩+৭ বছরের ওয়ারেন্টি আছে। 

তবে সব দিক বিচার করলে ২০২৬ সালের আপডেটের পরে Pulsar N160 কিছুটা হলেও এগিয়ে। এমনটাই মত অটোমোবাইল মহলের একাংশ। ফিচার, সেফটি, পারফরম্যান্স এবং আধুনিক ডিজ়াইনের দিক থেকে সেটিই বেশি 'ভ্যালু ফর মানি' প্যাকেজ। 

Read more!
Advertisement
Advertisement