
2026 TVS Radeon Price in India: সস্তার বাইক বলতে এখনও লোকে স্প্লেন্ডারই বোঝেন। তবে এই দামে আরও কিছু অপশন আছে। আসলে ডেলিভারির কাজ, লোকাল সেলস, টুকটাক এলাকার মধ্যে যাতায়াতের জন্য এই বাইকগুলিই ভাল। তেল কম খায়। মেনটেনেন্স কস্ট কম। তেমনই একটি বাইকের আপডেটেড মডেলের বিষয়ে জানতে পারবেন এই প্রতিবেদনে। রইল TVS Radeon-এর 2026 ভার্সানের সমস্ত ডিটেইলস। নতুন বাইক কেনার প্ল্যান থাকলে এটি আপনার উইশলিস্টে রাখতে পারেন।
ফেস্টিভ সিজন তুঙ্গে। তাল মিলিয়ে নতুন রূপে হাজির TVS Radeon। ২০২৬ সালের এই আপডেটেড মডেলে LED হেডলাইট, ডিআরএল এবং নতুন টেললাইট। বদলেছে বাইকের গ্রাফিক্স ও রঙের অপশনও। তবে ইঞ্জিন বা বাইকের ডিজাইনে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। নতুন TVS Radeon-এর দামও বেশ সস্তা। দাম জানতে এই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন। তার আগে এর স্পেসিফিকেশন জেনে নেওয়া যাক।
TVS Radeon 2026: কী কী বদলাল?
নতুন Radeon-এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ LED হেডলাইট। এর সঙ্গে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড ডে-টাইম রানিং লাইট (DRL)। সামনের আলোয় বেশ সুন্দর অ্যাঙ্গুলার ডিজাইন দেওয়া হয়েছে। পিছনের দিকে রয়েছে LED টেললাইট। তাতে ছ’টি লম্বালম্বি আলো। দুই প্রান্তেই LED ইন্ডিকেটর দেওয়া হয়েছে। এই দামে এত LED বেশ দারুণ একটা ব্যাপার।
বাইকের ফুয়েল ট্যাঙ্ক, হেডলাইটের কভার এবং সাইড প্যানেলে নতুন গ্রাফিক্স অ্যাড করা হয়েছে। নতুন কালার অপশনও পাবেন। BASE মডেলে কালো-লাল এবং কালো-নীল রঙের অপশন পাবেন। DIGI Drum মডেলে রয়েছে কালো-লাল ও কালো-কমলা রঙ। DIGI DISC মডেলে কালো-কমলা রঙ পাবেন। পুরনো লাল-কালো DT রঙের অপশনও থাকছে। সেটি DIGI Drum ও DIGI DISC-এ পাবেন।
তবে সিট, পিছনের লাগেজ র্যাক, ১৮ ইঞ্চির অ্যালয় হুইল এবং ক্র্যাশ গার্ডে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। বাইকের মূল স্ট্রাকচারও আগের মতোই রয়েছে।
TVS Radeon 2026: ইঞ্জিন ও ফিচার্স
নতুন মডেল আগের মতোই ১০৯.৭ সিসির সিঙ্গল-সিলিন্ডার, এয়ার-কুলড ইঞ্জিন রয়েছে। ৮.০৮ বিএইচপি পাওয়ার এবং ৮.৭ এনএম টর্ক পাবেন। সঙ্গে রয়েছে ফোর স্পিড গিয়ারবক্স। লোকাল রাস্তায় চালানোর জন্য যথেষ্ট। তবে এই নিয়ে হাইওয়ে বা লং ট্যুরের প্ল্যান না করাই ভাল।
কম গতিতে সহজে বাইক চালানোর জন্য রয়েছে TVS-এর Glide Through Technology (GTT)। এ ছাড়া যে কোনও গিয়ারে ইলেকট্রিক স্টার্ট, সিঙ্ক্রোনাইজ়ড ব্রেকিং সিস্টেম এবং ফাইভ স্টেপ রিয়ার শক অ্যাবজ়র্বার রয়েছে।
TVS Radeon 2026: কোন মডেলের দাম কত?
আগেই বলা হয়েছে তিনটি ভ্যারিয়্যান্টে পাওয়া যাবে। BASE মডেলের দাম ৬৭,১০০ টাকা। DIGI Drum-এর দাম ৭০,১০০ টাকা। আর DIGI DISC-এর দাম ৭৩,১০০ টাকা। শেষের মডেলের সামনের চাকায় ডিস্ক ব্রেক রয়েছে। BASE ও DIGI Drum-এ সেটা নেই। অনরোড সব মিলিয়ে ৮৫-৯০ হাজারের আশেপাশে পড়বে। এই বাইক নিলে টপ মডেলটি কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।