
বর্তমানে হেলথ ইনস্যুরেন্স করা খুবই জরুরি। স্বাস্থ্যবিমা না থাকলে একবার প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হলে পুরো সেভিংস নিমেষে শেষ হয়ে যেতে পারে। বজার থেকে নিতে হতে পারে ধার। তাই বিশেষজ্ঞরা সকলকেই হেলথ ইনস্যুরেন্স করার পরামর্শ দেন। এটাই বিপদের সময় আপনার পাশে থাকবে।
কিন্তু মুশকিল হল, হেলথ ইনস্যুরেন্স করার আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। নইলে বিমা কিনে ঠকে যেতে পারেন। তাই ঝটপট জেনে নিন হেলথ ইনস্যুরেন্স কেনার আগে ঠিক কোন কোন বিষয় মাথায় রাখবেন।
কভারেজ দেখুন
সবার প্রথমে সাম ইনসিয়র্ড বা পর্যাপ্ত কভারেজ কতটা রয়েছে, সেটা দেখে নিতে হবে। আপনার এলাকার বেসরকারি হাসাপাতালের চিকিৎসা খরচ এবং বর্তমান স্বাস্থ্যের হালের উপর নির্ভর করেই কভারেজ ঠিক করুন। প্রয়োজনে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। তিনি যতটা কভারেজ নিতে বলছেন, ঠিক ততটা নিন।
নেটওয়ার্ক হাসপাতাল ও ক্যাশলেস হাসপাতাল
এখন অনেক কোম্পানির হেলথ ইনস্যুরেন্স রয়েছে বাজারে। তাদের মধ্যে থেকে কোনও একটি বেছে নিতে হবে। সেক্ষেত্রেআপনার পছন্দের হাসপাতালগুলি নেটওয়ার্ক লিস্টে রয়েছে কি না, সেগুলিতে ক্যাশলেস পরিষেবা মিলবে কি না, সেটা দেখে নিন। তারপরই না হয় বেছে নেবেন।
রুম রেন্ট লিমিট
এমন কোনও পলিসি নেওয়া উচিত নয়, যাতে রুম রেন্ট লিমিট রয়েছে। আসলে পলিসিতে রুম রেন্ট লিমিট থাকলে বড় সমস্যা হতে পারে। তখন যেই রুমের লিমিট নিয়েছেন, তার থেকে প্রিমিয়াম কোনও রুম নিলেই চিকিৎসা খরচ অনেকটা বেড়ে যাবে। আর সেই টাকাটা আপনার পকেট থেকেই দিতে হবে।
কো পে রয়েছে কি না
এমন অনেক পলিসি রয়েছে যেগুলিতে কো পে থাকে। এক্ষেত্রে যা বিল হয়, তার একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা কো পে হিসেবে দিতে হয়। এক্ষেত্রে ১০ শতাংশ কো পে বা ১০ শতাংশ কো পে থাকে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ১০ হাজার টাকা বিল হলে ১ হাজার টাকা আপনাকে পকেট থেকে দিতে হবে। বাদবাদি কাটা দেবে ইনস্যুরেন্স সংস্থা।
ওয়েটিং পিরিয়ড
যে কোনও পলিসির ওয়েটিং পিরিয়ড দেখা উচিত। এক্ষেত্রে যদি কোনও রোগ আগে থেকে থাকে, তাহলে সেগুলি কভার হতে নির্দিষ্ট সময় লাগে। সাধারণত ওয়েটিং পিরিয়ড ২ থেকে ৪ বছর হতে পারে। আবার বেশ কিছু পলিসিতে কোনও ওয়েটিং পিরিয়ডই থাকে না। তাই নিজের ভাল বুঝে ওয়েটিং পিরিয়ড নিন।