
ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল করে ফেলাটা খুবই জরুরি। নইলে অহেতুক ঝামেলা পোহাতে হবে। যদিও অনেকেই মনে করেন আইটিআর ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করার পর আর কিছু করার নেই। কিন্তু বাস্তব একটু আলাদা। এরপর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেপ থাকে। সেটা হল আইটিআর ভেরিফিকেশন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন ভেরিফাই না করলেই বিপদ। এমন পরিস্থিতিতে আয়কর দফতর রিটার্ন ‘ফাইল করা হয়নি’ বলে ধরে নিতে পারে। তবে ভাল খবর হল, অনলাইনে মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে আইটিআর ভেরিফিকেশন করা যায়।
কেন আইটিআর ভেরিফিকেশন গুরুত্বপূর্ণ?
আসলে ই-ভেরিফিকেশনকে আপনার ডিজিটাল স্বাক্ষর হিসেবে ধরা হয়। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে ই-ফাইলিং পোর্টালে জমা দেওয়া রিটার্নটি আপনি করেছেন। আপনি নিজেই সেটা জমা দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, আইটিআর রিটার্ন ফাইল করার ৩০ দিনের মধ্যে তা ভেরিফাই করা বাধ্যতামূলক। সেই নির্ধারিত সময়সীমা মিস করলে আয়কর দফতর আপনার রিটার্নকে অবৈধ বলে ধরে নিতে পারে।
যদিও পরে দেরি হওয়ার কারণ দেখিয়ে 'কন্ডোনেশন অব ডিলে' আবেদন করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সেই আবেদন আয়কর দফতর গ্রহণ করতে পারে। তাহলেই ভেরিফিকেশন বৈধ হবে। তাই রিটার্ন জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভেরিফিকেশন করে নিন।
কীভাবে আইটিআর ভেরিফাই করা যায়?
আইটিআর ফাইল করার পর ভেরিফিকেশনের জন্য একাধিক পদ্ধতি রয়েছে।
আধার ওটিপি
আধারের মাধ্যমে খুব সহজেই ভ্যারিভাই করে নিতে পরেন। সেক্ষেত্রে আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি পাঠানো হয়। সেটা দিয়েই করা যায় ভেরিফিকেশন।
নেট ব্যাঙ্কিং
নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করুন। সেখান থেকে আয়কর ই-ফাইলিং পোর্টালে গিয়ে রিটার্ন ভেরিফাই করতে পারেন।
ইলেকট্রনিক ভেরিফিকেশন কোড
প্রি-ভ্যালিডেটেড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ইভিসি জেনারেট করে নিন। এভাবেও আইটিআর ভেরিফিকেশন করা যায়।
ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট ইভিসি
প্রি-ভ্যালিডেটেড ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারেন। ইভিসি তৈরি করেই ভেরিফিকেশন সম্ভব।
ডিজিটাল সিগনেচার সার্টিফিকেট
পেশাদার ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক সংস্থাগুলি emSigner ইউটিলিটি এবং ডিএসসি টোকেন ব্যবহার করে রিটার্ন ভেরিফাই করা যায়।
এটিএম-এর মাধ্যমে ইভিসি
ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে ইভিসি তৈরি করুন। সেটা ই-ফাইলিং পোর্টালে ব্যবহার করুন। তাহলেই ভ্যারিফাই করা সম্ভব হবে।
ভেরিফিকেশনের আগে হাতের কাছে রাখবেন কী?