
২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শুরু হয়েছিল SIR। আর এতদিন পর সেই প্রক্রিয়া মোটের উপর শেষ। ইতিমধ্যেই ফ্রিজ করা হয়েছে ভোটার লিস্ট। সুপ্রিম কোর্ট ট্রাইব্যুনাল নিয়ে নতুন করে কোনও সিদ্ধান্ত না জানালে, এই ভোটার লিস্ট মেনেই ভোট হবে।
এমন পরিস্থিতিতে অনেকের মনেই প্রশ্ন, SIR তো হল, এখন কি পুরনো ভোটার কার্ডে কাজ হবে, নাকি নতুন কার্ড দেওয়া হবে? যদিও কমিশন সূত্রে খবর, এখন নতুন ভোটার কার্ড ইস্যু করার কোনও পরিকল্পনা নেই কমিশনের। পুরনো ভোটার কার্ড যাঁদের রয়েছে, তাঁদের সেই কার্ড নিয়েই ভোট দিতে যেতে হবে।
কাদের কোনও সমস্যা নেই?
SIR-এর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি বেরিয়েছিল প্রথম ভোটার লিস্ট। তবে সেই লিস্টে ৬০ লক্ষ নাম ছিল অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায়। সেই তালিকায় থাকা নামগুলির নিষ্পত্তি করেছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। সেই মতো একের পর এক সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা বের করেছে কমিশন। আর ইতিমধ্যেই সেই লিস্ট বেরনোর কাজও শেষ। সকলের নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে কমিশন সূত্রে খবর, যাঁদের নাম ২৮ তারিখের ফাইনাল ভোটার লিস্টে ছিল, আর যাঁদের নাম এই সাপ্লিমেন্টরি লিস্টে রয়েছে, তাঁরা পুরনো ভোটার কার্ড দিয়েই ভোট দিতে পারবেন। কোনও সমস্যা নেই।
ট্রাইব্যুনালে নাম নিষ্পত্তি হলে কী হবে?
মাথায় রাখতে হবে, সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্টে অনেকের নাম বাদ গিয়েছে। এমন পরিস্থিতি তাঁরা ট্রাইব্যুনালে করেছেন আবেদেন। তাঁদের নাম নিষ্পত্তি করছে ট্রাইব্যুনাল। এমতাবস্থায় কারও কারও নাম ভোটার লিস্টে অ্যাড হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।
কিন্তু মুশকিল হল, সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে এই সব মানুষের নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছিল। তাঁদের ভোটার কার্ডও নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে তাঁদের নাম যদি ভোটার লিস্টে চলেও আসে, তাহলে তাঁরা পুরনো ভোটার কার্ডে ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। যদিও এই বিষয়টা নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি নির্বাচন কমিশন।
নতুন ভোটাররা কার্ড পাবেন
যাঁরা নতুন ভোটার, তাঁদের নতুন কার্ড দিতে শুরু করে দিয়েছে কমিশন। ফর্ম ৬ পূরণ করার পরই তাঁদের নাম লিস্টে উঠেছে। এরপর ধীরে ধীরে মিলছে নতুন ভোটার কার্ড।
আর যাঁরা পুরনো ভোটার, তাঁরা আগের ভোটার কার্ড যত্ন করে রাখুন। ওটা হাতে নিয়েই ভোট নিতে যান। কোনও সমস্যা হবে না।