
ফের সারা বিশ্বের শেয়ারবাজারে বড় ক্র্যাশ। আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে সংঘর্ষের আবহে ভয়ের পরিবেশ গোটা পৃথিবীতে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেল উত্তোলন কেন্দ্র এবং নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টে লাগাতার হামলার হুমকি দিচ্ছেন। আর সেই খবর চাউর হতেই প্যানিক মোডে গোটা বিশ্ব। দাম ঊর্ধ্বমুখী অপরিশোধিত তেলের। যার ফলে আমেরিকার স্টক মার্কেটে ইতিমধ্যেই ধস নেমেছে। এমনকী এশিয়ার একাধিক স্টক মার্কেটের অবস্থাও খারাপ। ব্রিটেন এবং হংকংয়ের মতো বাজারও আজ তলিয়ে গিয়েছে। ও দিকে GIFT নিফটি-এর অবস্থাও খারাপ। যার ফলে সেনসেক্স এবং নিফটির হালও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
GIFT নিফটিতে অবস্থা খারাপ
মাথায় রাখতে হবে, ভারতের বাজারের হাল কী হতে পারে, সেটা বোঝা যায় GIFT নিফটি দেখে। আর সোমবার দেখা যাচ্ছে GIFT নিফটি পড়ে গিয়েছে ১৯৫ পয়েন্ট। এটি নেমে গিয়েছে ২৩,৫৫০ পয়েন্ট। আর তাতেই আশঙ্কা করা হচ্ছে সেনসেক্স এবং নিফটির হাল খারাপ হতে পারে। বড় লসের মুখ দেখতে পারেন বিনিয়োগকারীরা।
জাপান এবং হংকংয়ের অবস্থা খারাপ
এশিয়ার একাধিক মার্কেটে আজ হাল খারাপ। নিক্কেই পড়েছে ৬০০ পয়েন্ট। এটি ৬০,৮০০ পয়েন্ট নেমে গিয়েছে। হ্যাঙ্গ সেঙ্গ পড়েছে ৩৮৫ পয়েন্ট। এটি ১.৪৭ শতাংশ নেমে ২৫,৫৮০ পয়েন্টে রয়েছে। এছাড়া এফটিএসই ১০০ নেমেছে ২০০ পয়েন্ট।
আমেরিকার স্টক মার্কেটের অবস্থা খারাপ
আজ পড়েছে আমেরিকার মার্কেটও। ডাও জোনস ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল এভারেজ ৫৩৭ পয়েন্ট নেমেছে। ডাও জোনস ফিউচার পড়েছে ৪০৭ পয়েন্ট। এস অ্যান্ড পি-ও রয়েছে রেড জোনে। আর এই দৃশ্য দেখেই ভয় আরও বেড়েছে। সেনসেক্স এবং নিফটিও এই ট্রেন্ড ধরে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কেন স্টক মার্কেটে প্যানিক?
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানে আবার আক্রমণের হুমকি দিয়ে রেখেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরই ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১১২ ডলার করা হয়েছে। এছাড়া ডব্লুটিআই পৌঁছে গিয়েছে ১০৮ ডলারে। বেড়েছে গ্যাসের দামও। আর সেই কারণেই শেয়ারবাজারের হাল খারাপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন দেখার ভারতের স্টক মার্কেট আজ কোন দিকে যায়।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।