Advertisement

LPG Crisis West Bengal: ইরান যুদ্ধবিরতি, এবার কি বাংলায় রান্নার গ্যাসের সঙ্কট কাটবে? খোঁজ নিল bangla.aajtak.in

ইতিমধ্যেই ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে আমেরিকা এবং ইরান। তারপরই গোটা পৃথিবীতে খুশির হওয়া। বিশ্ববাজারে কমছে তেল এবং গ্যাসের দাম। কিন্তু প্রশ্ন হল, যুদ্ধ থামার ফলে কি ধীরে ধীরে এলপিজি সঙ্কট থেকে মুক্তি পাবে ভারত? বাংলায় কি গ্যাসের সাপ্লাই বাড়বে? অটোর গ্যাস কি মিলবে?

বাংলায় LPG ক্রাইসিস কাটবে কবে?বাংলায় LPG ক্রাইসিস কাটবে কবে?
সায়ন নস্কর
  • কলকাতা,
  • 10 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:00 AM IST
  • ইতিমধ্যেই ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে আমেরিকা এবং ইরান
  • তারপরই গোটা পৃথিবীতে খুশির হওয়া
  • যুদ্ধ থামার ফলে কি ধীরে ধীরে এলপিজি সঙ্কট থেকে মুক্তি পাবে ভারত?

ইরানের উপর যৌথভাবে হামলা করেছিল আমেরিকা ও ইজরায়েল। তারপরই তেহরানের পক্ষ থেকে বন্ধ করা হয়েছিল হরমুজ প্রণালী। সেখান থেকে আসতে পারছিল না কোনও তেল বা গ্যাস বোঝাই জাহাজ। এর ফলে ভারত তথা বাংলায় রান্নার গ্যাসের সঙ্কট তৈরি হয়েছিল। গৃহস্থের ব্যবহারের গ্যাস এবং বাণিজ্যিক গ্যাস, দুইক্ষেত্রেই সমস্যা চলছিল। আর সেই সঙ্কট এখনও পুরোপুরি মেটেনি। আজও বাড়িতে রান্নার গ্যাস বুক করার পর সিলিন্ডার ডেলিভারি পেতে পেতে অনেকটাই সময় লাগছে। কমার্শিয়াল গ্যাস পেতে সময় লাগছে আরও বেশি। যার ফলে বিপদে পড়েছেন অনেকেই।

যদিও ভাল খবর হল, ইতিমধ্যেই ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে আমেরিকা এবং ইরান। তারপরই গোটা পৃথিবীতে খুশির হওয়া। বিশ্ববাজারে কমছে তেল এবং গ্যাসের দাম। কিন্তু প্রশ্ন হল, যুদ্ধ থামার ফলে কি ধীরে ধীরে এলপিজি সঙ্কট থেকে মুক্তি পাবে ভারত? বাংলায় কি গ্যাসের সাপ্লাই বাড়বে? অটোর গ্যাস কি মিলবে? আর এই বিষয়টা সম্পর্কে বিশদে জানতেই আমরা যোগাযোগ করেছিলাম ইন্ডিয়ান এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর অ্যাসোসিয়েশন, পশ্চিমবঙ্গ শাখার মুখপাত্র বিজন বিশ্বাসের সঙ্গে। তিনিই আমাদের গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশদে জানালেন। 

সঙ্কট কি কেটে যাবে? 
বিজন বলেন, 'যুদ্ধ থেমেছে। এর ফলে তেল এবং গ্যাস বোঝাই ভারতীয় জাহাজ একে একে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ভারতে আসবে। এভাবে আগেও জাহাজ আসছিল। সেই ট্রেন্ডই থাকবে। হুট করে পরিস্থিতি বদলাবে না। বাংলায় যেমন তেল ও গ্যাসের সঙ্কট চলছিল, সেটা থাকবে। এখনই কোনও পরিবর্তন আশা করা যাচ্ছে না।'

তিনি আরও জানান, বাংলায় এখন মোটামুটি ৩০ শতাংশের মতো গ্যাসের সঙ্কট রয়েছে। ডোমেস্টিক গ্যাস এবং কমার্শিয়াল গ্যাস, দুই ক্ষেত্রেই রয়েছে সমস্যা। আর এই পরিস্থিতি খুব শীঘ্রই বদলাবে না। 

কেন বদলাবে না পরিস্থিতি? 
এই বিষয়টাও খুব সহজেই বুঝিয়ে দিয়েছেন বিজন। তিনি বলেন, 'যুদ্ধবিরতি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ পুরোপুরি খুলে দিলেও পরিস্থিতি বদলানোর কোনও সুযোগ নেই। কারণ, যুদ্ধের সময় অনেক তেল উত্তোলন কেন্দ্রে হামলা হয়েছে। যার ফলে সেখান থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল বা গ্যাস তোলা সম্ভব হচ্ছে না। এই প্রভাব যুদ্ধ থেমে গেলেই কাটার নয়। আবার নতুন করে পরিকাঠামো গড়ে তুলতে অনেকটা সময় গেলে যাবে। তারপরই পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হবে।' 

Advertisement

অটোর গ্যাসের সমস্যা কবে কাটবে? 
বিজনের বক্তব্য, 'অধিকাংশ অটোই পেট্রোল পাম্প দিয়ে গ্যাস ভরাত না। তারা কাটা গ্যাসের উপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই কাটা গ্যাস বন্ধ হয়ে যায়। তখন সকলে মিলে লাইন দেয় পাম্পে। কিন্তু পাম্পে এত ক্যাপাসিটি নেই যে সবাইকে হুট করে গ্যাস দিয়ে দেবে। সেই মতো পরিকাঠামোই নেই। পাম্পগুলি বুঝতেই পারেনি এত গ্যাস লাগতে পারে। তাই সমস্যা একটা হয়েছে।' 

যদিও তাঁর দাবি, এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। অটোর গ্যাস রয়েছে। আর যেটুকু সমস্যা রয়েছে, সেটা মিটতে কিছুটা সময় লাগবে না।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement