
নবান্ন থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এই যোজনায় প্রতি মাসে মহিলারা পাবেন ৩ হাজার টাকা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, ৯০ দিন এই প্রক্রিয়া চলবে। অনলাইন এবং অফলাইনে দুটোতেই হবে। সেইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ এবং নথিভুক্তকরণ যত দিন না সম্পন্ন হচ্ছে, তত দিন ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ চালু থাকবে। যাঁরা ২ জুনের মধ্যে নথিভুক্তকরণ সম্পন্ন করতে পারবেন, তাঁরা জুন মাস থেকেই টাকা পাবেন। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে নাম উলে তাঁদের ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ বন্ধ হয়ে যাবে।
১ জুন থেকে ৯০ দিন পর্যন্ত অন্নপূর্ণা যোজনায় এনরোলমেন্ট প্রক্রিয়া চলবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য পরিচ্ছন্ন তালিকা তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। যাঁরা অনলাইন বা অফলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে আধিকারিকেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম পূরণে সহযোগিতা করবেন। নবনির্বাচিত বিধায়কেরাও ফর্ম পূরণে সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
পাশাপাশি শুভেন্দু স্পষ্ট করে দেন, আগামী ১৫, ১৬, ১৭ জুন জনকল্যাণ শিবির হবে। সেখানেও ফর্ম পূরণ করার বিষয়ে সহযোগিতা করা হবে। প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক এবং আর্থিক ভাবে দুর্বল নারীশক্তি অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন। সেইসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দেন, ফর্মে তথ্য বিশদে চাওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পরিবারের তথ্যও সংগ্রহ করতে চায় সরকার। যাতে তা অন্য প্রকল্পেও কাজে লাগানো যায়। আপাতত ১ জুন থেকে আগামী ৯০ দিন এই প্রক্রিয়া চলবে। অনলাইন ও অফলাইনে হবে। সেইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, অভারতীয়, আয়কর দেন, সরকারি বা সরকার পোষিত কোনও চাকরি করলে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা মিলবে না। যাঁদের ভারতীয় তালিকায় নাম নেই তাঁরা পাবেন না। তবে CAA-তে আবেদনকারীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। সরকারি, আধা সরকারি চাকরি করলে এই সুবিধা পাবেন না।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'SIR-এ ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারীরা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রাপকদের নাম অন্নপূর্ণা যোজনায় উঠে যাবে। আধারযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতিমাসে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে। অন্নপূর্ণা যোজনায় পরিচ্ছন্ন তালিকা হবে। ৯০ দিন এই প্রক্রিয়া চলবে। অনলাইন এবং অফলাইনে এই ফর্ম পূরণ করা যাবে। ১৫, ১৬ এবং ১৭ তারিখ জনকল্যাণ শিবিরে অফলাইনে ফর্ম পূরণের বিষয়ে সাহায্য করা হবে। এই ফর্ম পূরণের সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের ডিটেলসও নেওয়া হবে যাতে কোনও অভিযোগ না ওঠে। যারা ন্যায্য তাঁরা যেন পায় সেই কাজ দেখতে হবে।'