
ক্ষমতায় এসেই বিজেপি সরকার রাজ্যে চালু করে দিয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা। এই প্রকল্পে মাসে ৩ হাজার টাকা করে পাচ্ছেন মহিলারা। ইতিমধ্যেই ১ কোটির বেশি মহিলা এই যোজনায় টাকা পেয়ে গিয়েছেন। তাঁদের ব্যাঙ্কে ক্রেডিট হয়ে গিয়েছে ৩ হাজার টাকা। সরকারের দাবি, আরও অনেক মহিলাই অগাস্ট মাসের শুরুতেই টাকা পেয়ে যাবেন। তাই আপাতভাবে চিন্তার কিছু নেই।
আরও কড়া হচ্ছে সরকার
তবে অন্নপূর্ণা যোজনার ক্ষেত্রে আবার কড়া হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে সরকার। যেই যেই শর্ত দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে, সেগুলি পূরণ করলেই মিলবে টাকা। নইলে এই প্রকল্পে ৩ হাজার টাকা পাওয়া যাবে না।
অনেকেই রয়েছেন আন্ডার ইনকোয়ারি
ইতিমধ্যেই বহু আবেদনকারী টাকা পেয়ে গিয়েছেন। আবার অনেকেই এখন টাকা পাননি। এক্ষেত্রে তাঁদের আবেদন 'আন্ডার ইনকোয়ারি' অবস্থায় রয়েছে। তাঁদের ডকুমেন্ট নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে বলে খবর মিলছে। ডকুমেন্ট ভাল করে চেক করার পরই টাকা পাওয়া যাবে বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।
নতুন করে যাচাই চলছে
টাকা যাঁরা পেয়ে গিয়েছেন, তাঁরাও যে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন, তেমনটা আদৌ নয়। কারণ, আবার নতুন করে তাঁদের নথিও যাচাই শুরু হয়েছে। সেক্ষেত্রে কারও কারও ডকুমেন্টে যদি খামতি থাকে, তাহলে তাঁদের ডাকা হতে পারে। তারপর নতুন করে নথি যাচাই হবে। এরপরই মিলবে টাকা।
কত টাকা পেলে টাকা পাওয়া যাবে না?
এই বিষয়টা নিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে সরকার। তাদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, যাঁদের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম, তাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন। তবে তার থেকে বেশি আয় থাকলে আর টাকা মিলবে না।
এখানে বোঝার বিষয় হল, কোনও মহিলার নিজস্ব আয় এক্ষেত্রে বিবেচ্য নয়, বরং গোটা পরিবারের আয়ই এখানে দেখা হবে। সেই আয় মাসে ১ লক্ষ টাকার বেশি হলেই টাকা পাওয়া যাবে না।
এছাড়া কারা পাবেন না?
সরকার আগেই জানিয়েছিল, তিনটের বেশি পাকা ঘর যদি থাকে, কেউ যদি সরকারি চাকরি করেন, পেনশন পান বা ইনকাম ট্যাক্স দেন, তাহলে টাকা পাওয়া যাবে না।
এই প্রসঙ্গে বলি, অগাস্ট পড়তে আর ১ দিন বাকি। তাই এখন একবার নিজের অন্নপূর্ণা যোজনার স্টেটাসটা দেখে নিন। তাহলেই টাকাটা পাবেন কি না বুঝতে পারবেন।