
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে যদি কেউ বিধবা ভাতার ১৫০০ টাকা নেন, তবে তা সারেন্ডার করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য অ্যাপ্লাই করতে পারেন। সেক্ষেত্রে তাঁরা ১৫০০-এর বদলে মাসে মাসে ৩০০০ করে পাবেন। একটি সামান্য কাজ করলেই ডাবল হয়ে যাবে মাসিক ভাতা।
আবেদনের ভিত্তিতেই প্রথমে বিধবা ভাতা সারেন্ডার করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করতে হবে। তবে এখনও পর্যন্ত সারেন্ডার করার নিয়ম নিয়ে কোনও সরকারি নির্দেশিকা জারি করা হয়নি।
৭ সেপ্টেম্বর নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, বার্ধক্য ও বিধবা ভাতার অঙ্ক ১৫০০ করা হল। তিনি বলেছিলেন, ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সের মধ্যে যাঁরা বিধবা ভাতা নিচ্ছেন, তাঁরা সেটা সারেন্ডার করে অন্নপূর্ণা ভাতার জন্য আবেদন করতে পারেন।
কীভাবে বিধবা ভাতার প্রাপকরা অন্নপূর্ণায় আবেদন করবেন?
যদি কেউ বিধবা ভাতা পেয়ে থাকেন, তিনি নিজের ব্লকের BDO-কে একটি চিঠি দিতে পারেন। যেখানে উল্লেখ করতে হবে অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করতে চাই। এরপর BDO অফিস থেকে জেলাস্তরে পাঠানো হবে সেই চিঠি। সেখান থেকেই প্রক্রিয়া চলবে। পুরসভা এলাকার থেকে সরাসরি ওয়ার্ড অফিসে যোগাযোগ করে একই পদ্ধতিতে চিঠি দিতে হবে বিধবা ভাতার প্রাপককে।
তবে সারেন্ডার না করলেও একসঙ্গে ২টো ভাতাই পাবেন সমাজের একটি অংশের মহিলা। এই ক্ষেত্রেই শুধু ব্যতিক্রম থাকবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দিব্যাঙ্গ ভাতা যাঁরা পেয়ে থাকেন, তাঁরা একইসঙ্গে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০-ও পাবেন এবং বিধবা ভাতার ১৫০০-ও পাবেন। ফলে তাদের মাসিক ভাতার পরিমাণ দাঁড়াবে ৪৫০০ টাকা।