
আগামী জুলাই মাস থেকে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড পাবে রাজ্যবাসী। শনিবার এই ঘোষণা করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তাই নয়, তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, বর্তমানে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধাপ্রাপ্ত ৬ কোটি মানুষকে আয়ুষ্মান কার্ড দেওয়া হবে। তবে এই কার্ডের জন্য কীভাবে আবেদন করতে হবে জানেন?
কীভাবে আয়ুষ্মার ভারতে আবেদন করবেন?
আয়ুষ্মান কার্ডের জন্য যোগ্য কিনা তা জানতে চাইলে, কোনও সরকারি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহার করে সহজেই এটি যাচাই করতে পারেন।
স্টেপ বাই স্টেপ গাইড
> প্রথমে আয়ুষ্মান ভারতের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://pmjay.gov.in-এ যেতে হবে।
> এরপর স্ক্রিনের উপরের ডানদিকে ‘আমি কি যোগ্য’ অপশনটি দেখতে পাবেন, যেটিতে ক্লিক করতে হবে।
> মোবাইল নম্বর দিতে হবে এবং তারপর ফোনে প্রাপ্ত ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) দিয়ে লগইন করতে হবে।
> স্ক্রিনে প্রকল্পের নাম, আপনার রাজ্যের নাম, উপ-প্রকল্পের নাম, জেলার নাম, আধার নম্বর এবং পরিবারের কোনো সদস্যের নাম অথবা রেশন কার্ড নম্বর লিখতে হবে।
> আধার দিয়ে সিস্টেমটি আবার ভেরিফাই করতে হবে এবং এর সাথে স্ক্রিনে আসা ক্যাপচাটিও পূরণ করতে হবে।
> মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই স্ক্রিনে ফুটে উঠবে আপনার নাম এই স্কিম তালিকায় আছে কি না। আপনি যোগ্য হলে, আপনার নাম এবং পরিবারের অন্যান্য যোগ্য সদস্যদের বিবরণ স্ক্রিনে দেখা যাবে। আপনি সেখান থেকে আয়ুষ্মান কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
কীভাবে পাবেন আয়ুষ্মান কার্ড?
লগ ইন করার পর, আপনার রাজ্য বেছে নিন, প্রকল্প হিসেবে ‘PMJY’ নির্বাচন করুন এবং আপনার যোগ্যতা যাচাই করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন। পরিচয় যাচাই করতে ‘Do e-KYC’-তে ক্লিক করুন এবং ‘Aadhaar OTP’ বেছে নিন। সম্পন্ন হয়ে গেলে ২০ মিনিটের মধ্যেই পুনরায় লগইন করে আপনি আপনার ডিজিটাল আয়ুষ্মান ভারত কার্ডটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
কারা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন না?
> যে পরিবারে নিয়মিত আয়কর দেয়
> সরাকরি স্থায়ী চাকরিজীবী রয়েছেন যে পরিবারে
> বড় পাকা বাড়ির মালিক যে পরিবার
> নির্দিষ্ট ধরনের গাড়ি বা ভারী ট্র্যাক্টর থাকা পরিবার
> যাঁদের নাম সরকরি সুবিধাভোগীর ডেটাবেসে নেই
> যে পরিবার অন্য সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় রয়েছে
> ৫ একরের বেশি সেচযুক্ত জমির মালিক পরিবার
> উচ্চ আয়ের ব্যবসায়ী বা নন অ্যাগ্রিকালচারাল ব্যবসাক মালিকরা
কী কী কারণে আবেদন বাতিল হতে পারে?
অনেক সময় আধার কার্ডের নাম, ঠিকানা বা জন্মতারিখে ভুল থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে। পরিবারের সদস্যদের তথ্য রেশন কার্ড বা সরকারি নথির সঙ্গে না মিললেও বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আধারের তথ্য মিল না থাকাই সবচেয়ে বেশি বাতিলের কারণ। তবে ৭০ বছরের বেশি বয়সী প্রবীণদের জন্য কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় রয়েছে।