
ক্ষমতায় এসেই বাংলায় আয়ুষ্মান ভারত যোজনা চালু করেছে BJP সরকার। নরেন্দ্র মোদী সরকারের এই প্রকল্পের আওতায় এবার বাংলার মানুষও নিখরচায় চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। আগামী জুলাই মাস থেকে এই প্রকল্প চালু হতে চলেছে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আয়ুষ্মান কার্ড থাকলে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যায়।
প্রসঙ্গত, আয়ুষ্মান ভারতের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাইয়ের কাজও শুরু হয়েছে রাজ্যে। চলবে আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত। সেজন্য গ্রুপ বি আধিকারিক এবং ফিল্ড লেভেল কর্মীদের নিয়োজিত করাও শুরু হয়েছে। প্রথম ধরনের আধিকারিকদের ‘ভেরিফিকেশন অফিসার’ বলা হচ্ছে। তাঁরা উপভোক্তাদের আয়ুষ্মান ভারত-প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার জন্য যাচাইকরণ ও e-KYC প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন। কলকাতা কর্পোরেশনের কমিশনার, সব জেলার জেলাশাসক এবং মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায় যেমন প্রয়োজন, তেমন আধিকারিক ও ফিল্ড কর্মীদের নিয়োগ করা যাবে বলেও জানান সচিব।
ন্যাশনাল ফুড সিকিউরিটি অ্যাক্ট -এর তথ্যভাণ্ডার ধরে ধরে উপভোক্তাদের নথি যাচাই শুরু হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, প্রথমে ৩টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কাজটি রূপায়িত হবে। তারপর ধাপে ধাপে রাজ্যজুড়ে শুরু হবে। সরকারের কাছে থাকা তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে উপভোক্তার দেওয়া তথ্য মিলে গেলে e-KYC সেখানেই করা হচ্ছে।
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের উপভোক্তা বা বেনিফিশিয়ারি চিহ্নিতকরণের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এই কাজের জন্য জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের (NFSA) অধীনস্থ ডেটাবেসকে মূল উৎস বা সোর্স হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ওই ডেটাবেসের আওতাভুক্ত অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা (AAY), বিশেষ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত (SPHH) এবং অগ্রাধিকার প্রাপ্ত (PHH) রেশন কার্ড হোল্ডারদের তথ্য যাচাই করেই আয়ুষ্মান ভারতের উপভোক্তা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হবে।
৯ জুন থেকে রাজ্যজুড়ে উপভোক্তাদের ভেরিফিকেশন এবং ই-কেওয়াইসি (e-KYC) প্রক্রিয়া জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী ২৫ জুনের মধ্যে এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার কড়া ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে।