
পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যে চালু হবে নানা কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পগুলি। আগের তৃণমূল সরকারের আমলে এই স্কিমগুলি আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিশ্রুতি মতো, এরাজ্যে এবার ধীরে ধীরে চালু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারি স্কিমগুলি। সেই তালিকায় সর্বাগ্রে রয়েছে আয়ুষ্মান ভারতের নাম। একাধিক জেলায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এই যোজনার ফর্ম ফিল আপ-এর কাজ।
কীভাবে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী- জন আরোগ্য যোজনার ফর্ম ফিলআপ করবেন?
বর্তমানে মূলত আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী- জন আরোগ্য যোজনার আবেদনকারীদের তথ্য যাচাই করা শুরু করা হয়েছে। এরজন্য একটি ফর্ম ফিল আপ করা হচ্ছে। এই ফর্মটি আপাতত পুরসভা স্তরে আশা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি এসে দিয়ে যাচ্ছেন।
আয়ুষ্মান ভারত যোজনার ফর্ম এক একজন ব্যক্তির জন্য নির্দিষ্ট থাকছে। প্রতিটি ফর্ম-এর উপরে থাকছে একটি ইউনিক নম্বর। যখন ফর্মটি দেওয়া হচ্ছে, আগে থেকেই ফর্মে ছাপানো অক্ষরে আবেদনকারীর নাম, মোবাইল নম্বর, আধার কার্ড নম্বর (আংশিক), রেশন কার্ড নম্বর, জেলা, ব্লক/ পুরসভা, গ্রাম পঞ্চায়েত/ ওয়ার্ড উল্লেখ থাকছে। ফলে এই বিষয়গুলি আর ফিল-আপ করার প্রয়োজন নেই।
যে বিষয়গুলো ফর্মে ফিল আপ করতে হবে
রেশন কার্ড: এই ফর্মে রেশন কার্ডের তিনটি ভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। AAY, SPHH, PHH -এই তিনটি বিভাগের ক্ষেত্রে রেশন কার্ডের একটি অপশন বেছে নিতে হবে।
পারিবারিক তথ্য: পাশাপাশি ফর্মে পরিবারের মোট সদস্য সংখ্য়া, আবেদনকারীর প্যান নম্বর, এপিক নম্বর, এসি নম্বর, পার্ট নম্বর ও ক্রমিক নম্বর উল্লেখ করতে হবে।
স্বাস্থ্যসাথীর বিবরণ দিতে হবে
তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে চালু হয়েছিল স্বাস্থ্য সাথী স্কিম। আয়ুষ্মান ভারত যোজনার ফর্ম ফিল আপ-এ স্বাস্থ্য সাথী-র URN নম্বরও উল্লেখ করতে হবে। এরপর আশা কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট জায়গায় সেই ফর্ম জমা দিতে হবে।
কোন কোন ডুকমেন্টস প্রয়োজন?
আধার কার্ড, প্য়ান কার্ড, রেশন কার্ড, স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড-এর জেরক্স এই আবেদনপত্রের সঙ্গে একসঙ্গে জমা দিতে হবে। সরকার যাবতীয় ডকুমেন্টস যাচাই করে যোজনায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।