Advertisement

Bajaj Pulsar 180 ফিরল বাজারে, দাম, ফিচার্স জেনে নিন

Bajaj Pulsar 180: দু’বছর পর প্রত্যাবর্তন। বাজারে আইকনিক পালসার ১৮০ ফিরিয়ে আনল বাজাজ। ২০২২ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন, এই বাইক আর ফিরবে না।

২০২২ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন, এই বাইক আর ফিরবে না। ২০২২ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন, এই বাইক আর ফিরবে না।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 12 Apr 2026,
  • अपडेटेड 12:32 PM IST
  • বাজারে আইকনিক পালসার ১৮০ ফিরিয়ে আনল বাজাজ।
  • ২০২২ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন, এই বাইক আর ফিরবে না।
  • নতুন আপডেট নিয়ে আবার কামব্যাক করল Pulsar 180।

Bajaj Pulsar 180: চার পর প্রত্যাবর্তন। বাজারে আইকনিক পালসার ১৮০ ফিরিয়ে আনল বাজাজ। ২০২২ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন, এই বাইক আর ফিরবে না। বাজার বদলাচ্ছে। একটু বেশি সিসি-র কমিউটার কিনছেন অনেকেই। আর সেটা মাথায় রেখেই নতুন আপডেট নিয়ে আবার কামব্যাক করল Pulsar 180। মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের কথা ভেবেই এই পদক্ষেপ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। একসময় কলেজ পড়ুয়া থেকে অফিসযাত্রী; সবার প্রথম পছন্দ ছিল পালসার ১৮০। কিন্তু ২০২২ সালে হঠাৎ এই মডেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পালসার রেঞ্জে একটা বড় ফাঁক তৈরি হয়। Pulsar 150-এর পর সরাসরি 220F; মাঝের অপশনটাই ছিল না। এবার সেই ফাঁক পূরণ করতেই আবার ফিরল এই স্পোর্টি কমিউটার বাইক।

দামের দিক থেকেও বাইকটি যথেষ্ট আকর্ষণীয়। নতুন Pulsar 180-এর এক্স-শোরুম দাম রাখা হয়েছে প্রায় ১.২২ লক্ষ টাকা। Pulsar 150-এর তুলনায় প্রায় ১২ হাজার টাকা বেশি হলেও, বাজারে থাকা প্রতিদ্বন্দ্বী বাইকের তুলনায় এটি সস্তা। বিশেষ করে TVS Apache RTR 180-এর তুলনায় প্রায় ৪ হাজার টাকা কম দাম রাখা হয়েছে। ফলে বাজেটের মধ্যে একটু বেশি পাওয়ার চাইলে অনেকেই এই বাইকের দিকে ঝুঁকতে পারেন।

নতুন পালসার ১৮০

ডিজাইনের দিক থেকে খুব বেশি পরিবর্তন না এলেও, কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দেওয়া হয়েছে। এখন এই বাইকে এলইডি হেডল্যাম্প এবং এলসিডি ড্যাশবোর্ড দেওয়া হয়েছে। ফলে রাতের রাইডিং যেমন সহজ হবে, তেমনই ডিজিটাল ডিসপ্লে ব্যবহারে সুবিধা বাড়বে। পাঁচটি রঙে এই বাইক পাওয়া যাবে; ব্ল্যাক-গোল্ড, ব্লু-ব্ল্যাক, ব্ল্যাক-গ্রে, ব্ল্যাক-রেড এবং হোয়াইট।

ইঞ্জিনের দিক থেকেও বাইকটি যথেষ্ট শক্তিশালী। এতে রয়েছে ১৭৮.৬ সিসির সিঙ্গল সিলিন্ডার, এয়ার কুল্ড ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন থেকে পাওয়া যাবে প্রায় ১৭ হর্সপাওয়ার শক্তি এবং ১৫ এনএম টর্ক। ৫ স্পিড গিয়ারবক্স দেওয়া হয়েছে। আগের মডেলের তুলনায় টর্ক কিছুটা বাড়ানো হয়েছে, যদিও পাওয়ার একই রয়েছে। Pulsar 150-এর তুলনায় এই বাইক বেশি শক্তিশালী; প্রায় ৩ হর্সপাওয়ার বেশি শক্তি দেয়।

Advertisement

সেফটির দিকেও নজর দিয়েছে কোম্পানি। রিয়ার ডিস্ক ব্রেক এবং এবিএস ফিচার রাখা হয়েছে। পাশাপাশি টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং টুইন শক অ্যাবজর্বার সেটআপ থাকায় রাস্তায় ঝাঁকুনি কম লাগবে। ১৫ লিটার ফুয়েল ট্যাঙ্ক থাকায় লং রাইডেও সুবিধা হবে। বাইকের ওজন প্রায় ১৫৬ কেজি এবং গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৬৫ মিমি। ১৭ ইঞ্চির চাকা এবং টিউবলেস টায়ার দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান বাজারে বাইকের চাহিদা অনেক বদলেছে। এখন ক্রেতারা শুধু লুক নয়, ফিচার এবং পারফরম্যান্স; সব দিকই দেখছেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে Bajaj-এর এই পদক্ষেপকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। পুরনো নস্টালজিয়া আর নতুন টেকনোলজির মিশ্রণ; এই ফর্মুলাই হয়তো আবার জনপ্রিয় করে তুলতে পারে Pulsar 180-কে।

যাঁরা প্রথম বাইক কিনতে চাইছেন বা পুরনো পালসারের ফিল আবার পেতে চান, তাঁদের কাছে এই বাইক দারুণ অপশন হতে পারে।   

Read more!
Advertisement
Advertisement