Advertisement

Pulsar NS400Z এর দাম কমল ২৪,৫০০ টাকা! কোন রং নেবেন?

Bajaj Pulsar NS400Z: একটা সময় ছিল, যখন ভারতীয়রা বাইক বলতে খালি ১০০, ১১০ সিসির ইঞ্জিনই বুঝতেন। সেই ট্রেন্ড ভেঙেছে ২টি বাইক। পালসার আর রয়্যাল এনফিল্ড। যদিও ২০০৪-০৫-এও সাধারণ মানুষ খুব একটা এনফিল্ড কিনতেন না।

আরও সস্তা হল Bajaj Auto-এর জনপ্রিয় স্ট্রিটফাইটার বাইক Bajaj Pulsar NS400Z। আরও সস্তা হল Bajaj Auto-এর জনপ্রিয় স্ট্রিটফাইটার বাইক Bajaj Pulsar NS400Z।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 01 May 2026,
  • अपडेटेड 2:25 PM IST
  • আরও সস্তা হল Bajaj Auto-এর জনপ্রিয় স্ট্রিটফাইটার বাইক Bajaj Pulsar NS400Z।
  • জিএসটি কাঠামোয় সুবিধা পাওয়ায় এই বাইকের অন-রোড দাম প্রায় ২৪,৫০০ টাকা পর্যন্ত কমে গিয়েছে।
  • বাইকটি এখন ১৮ শতাংশ জিএসটি স্ল্যাবের মধ্যে চলে এসেছে।

Bajaj Pulsar NS400Z: একটা সময় ছিল, যখন ভারতীয়রা বাইক বলতে খালি ১০০, ১১০ সিসির ইঞ্জিনই বুঝতেন। সেই ট্রেন্ড ভেঙেছে ২টি বাইক। পালসার আর রয়্যাল এনফিল্ড। যদিও ২০০৪-০৫-এও সাধারণ মানুষ খুব একটা এনফিল্ড কিনতেন না। কিন্তু সমস্ত হিসেব পাল্টে দেয় বাজাজ। বাজারে আসে পালসার। আর এই একটি ব্র্যান্ডই ভারতের বাইকিং সিন পাল্টে দেয়। মানুষ বুঝতে শেখে যে, বাইক মানে শুধু কমিউটিং নয়। বাইক একটা থ্রিল, প্যাশন, স্টাইল। ২০২৬-এ এসেও সেই প্যাটার্ন ভাঙার কাজই করছে ব্র্যান্ড পালসার। ১৬০, ২০০ সিসির ভিড়ে তাই ৩৫০ সিসি নিয়েই বাজার ধরতে চাইছে বাজাজ। 

এতকিছু বলার একটাই কারণ। আরও সস্তা হল Bajaj Auto-এর জনপ্রিয় স্ট্রিটফাইটার বাইক Bajaj Pulsar NS400Z। নতুন 349cc ইঞ্জিন। বাজারে এল আপডেটেড মডেল। সবচেয়ে বড় বিষয়টি হল, ইঞ্জিনের ক্ষমতা কিছুটা কমানো হলেও বাইকের পারফরম্যান্সে বড় কোনও পরিবর্তন হয়নি বলেই দাবি সংস্থার। বরং জিএসটি কাঠামোয় সুবিধা পাওয়ায় এই বাইকের অন-রোড দাম প্রায় ২৪,৫০০ টাকা পর্যন্ত কমে গিয়েছে।

সংস্থার দাবি, নতুন ইঞ্জিনের কারণে বাইকটি এখন ১৮ শতাংশ জিএসটি স্ল্যাবের মধ্যে চলে এসেছে। সেই কারণেই এক্স-শোরুম দাম, রেজিস্ট্রেশন খরচ এবং বিমার খরচ মিলিয়ে মোট দাম কমেছে। দিল্লিতে নতুন বাজাজ পালসার NS400Z-এর এক্স-শোরুম দাম ১ লক্ষ ৮০ হাজার ৯২ টাকা।

এর আগে এই বাইকে ছিল 373.2cc ইঞ্জিন। এবার সেটিকে কমিয়ে 349cc করা হয়েছে। তবে ইঞ্জিনের ক্ষমতা ধরে রাখার দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে বাজাজ। নতুন লিকুইড-কুলড ইঞ্জিন এখনও 40.6 PS শক্তি জেনারেট করবে। ফলে পাওয়ার-টু-ওয়েট রেশিও 247 PS প্রতি টনই থাকছে। অর্থাৎ, বাইকের অ্যাগ্রেসিভ পারফরম্যান্সে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

বাজারে এখন মাঝারি সেগমেন্টের স্পোর্টি বাইকের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে কম দামে একই রকম পারফরম্যান্স দেওয়ার কৌশল নিয়েছে বাজাজ। সম্প্রতি KTM এবং Triumph Motorcycles-এর কিছু বাইকেও একই ধরনের ইঞ্জিন ডাউনসাইজিং দেখা গিয়েছে।

ফিচারের দিক থেকেও কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। আগের মতোই রয়েছে চারটি রাইডিং মোড, কুইক শিফটার, ট্র্যাকশন কন্ট্রোল, ডুয়াল-চ্যানেল ABS, রেডিয়াল টায়ার এবং ব্লুটুথ কানেক্টেড ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট কনসোল। ফলে প্রযুক্তিগত দিক থেকে এখনও সেগমেন্টের অন্যতম আকর্ষণীয় বাইক হিসেবেই থাকছে NS400Z।

ডিজাইনের ক্ষেত্রেও বড় কোনও বদল আনা হয়নি। ১৬৫ মিমি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এবং ৮০৫ মিমি সিট হাইট।

বর্তমানে ভারতের তরুণ বাইকপ্রেমীদের মধ্যে স্পোর্টি নেকেড স্ট্রিটফাইটার সেগমেন্টের ক্রেজ আছে। তাই দাম কমিয়ে নতুন পালসার NS400Z বাজারে আনা বেশ ভালই স্ট্র্যাটেজি বাজাজের। এর ফলে তারা যে আরও বড় বায়ার বেসকে টার্গেট করছে তা স্পষ্ট, মত ওয়াকিবহাল মহলের। 

Read more!
Advertisement
Advertisement