Advertisement

Bank Loan: ব্যাঙ্ক থেকে লোন পেতে এবার কালঘাম ছুটবে? RBI-এর নয়া নিয়মে ব্যাপক কড়াকড়ি

২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকেই লোন পেতে গেলে কালঘাম ছুটতে চলেছে বহু মানুষের। কারণ লোন সংক্রান্ত নিয়ম বদল করেছে RBI। নতুন নিয়মের আওতায় লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে একাধিক বিষয় মানতে হবে ব্যাঙ্কগুলিকে।

ব্যাঙ্ক থেকে লোন পাওয়া হবে আরও সমস্যারব্যাঙ্ক থেকে লোন পাওয়া হবে আরও সমস্যার
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 08 Jun 2026,
  • अपडेटेड 5:48 PM IST
  • আগামী অর্থবর্ষ থেকেই লোন সংক্রান্ত নিয়ম আরও কঠোর হতে চলেছে।
  • ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকেই লোন পেতে গেলে কালঘাম ছুটতে চলেছে বহু মানুষের।
  • লোন সংক্রান্ত নিয়ম বদল করেছে RBI।

আগামী অর্থবর্ষ থেকেই লোন সংক্রান্ত নিয়ম আরও কঠোর হতে চলেছে। ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকেই লোন পেতে গেলে কালঘাম ছুটতে চলেছে বহু মানুষের। কারণ লোন সংক্রান্ত নিয়ম বদল করেছে RBI। নতুন নিয়মের আওতায় লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে একাধিক বিষয় যাচাই করবে ব্যাঙ্কগুলি।

নতুন নিয়মে কী বলা হয়েছে?

রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া একটি নতুন ECL কাঠামো তৈরি করছে। যার আওতায় ব্যাঙ্কগুলির লোন দেওয়ার ধরনে বড়সড় বদল আসবে। এই ব্যবস্থায় লক্ষ লক্ষ ঋণ আবেদনকারীর লোন অ্যাপ্লিকেশন ঝাড়াই-বাছাই হবে।

পুরনো ব্যবস্থায় যখন কোনও গ্রাহক দীর্ঘদিন ধরে ঋণের EMI দিতে অক্ষম হত, তখন সেই লোন অ্যাকাউন্টকে নন-পারফর্মিং অ্যাসেট (NPA) হিসেবে গণ্য করা হত। কিন্তু নতুন নিয়মের আওতায় ঋণ খেলাপি হওয়ার জন্য অপেক্ষা করার বদলে ব্যাঙ্কগুলোকে আগে থেকেই সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ অনুমান করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী টাকা আলাদা করে রাখতে হবে। কোনও গ্রাহক ঋণের ৯০ দিন EMI মিস করলে ব্য়াঙ্ককে সেই অর্থের ১২ গুণ পরিমাণ অর্থ আলাদা করে রাখতে হবে। এই ফান্ড তৈরির অর্থ হল ব্যাঙ্কের  ব্যালেন্স শীট থেকে এই পরিমাণ টাকা কমে যাবে, যার ফলে ব্যাঙ্কগুলোর মুনাফা প্রায় ৪২,০০০ কোটি টাকা কমে যেতে পারে। এর মূল উদ্দেশ্য হল, ঝুঁকিপূর্ণ লোনগুলিকে আগেভাগেই শনাক্ত করা এবং ব্যাঙ্কগুলি যাতে ঋণ খেলাপির ক্ষেত্রে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকে তা নিশ্চিত করা।

এরফলে লোন গ্রাহকরা কেন সমস্যায় পড়বেন?

লোন নিতে গেলে ব্যাঙ্ক এবার গ্রাহকদের আবেদন আতস কাঁচের তলায় ফেলে পরীক্ষা করতে চলেছে। যে গ্রাহকদের সিবিল স্কোর খারাপ, তাঁদের আবেদন বারবার যাচাইয়ের মুখে পড়তে পারে। সিবিল স্কোর খারাপ থাকলে ঋণ আবেদনকারীদের চড়া সুদের হারে ঋণ নিতে হতে পারে। আবার কাউকে কিছু জামানত রাখতে হতে পারে। 

একটি সমীক্ষা থেকে উঠে এসেছে, দেশের প্রায় ৬২ শতাংশ ঋণগ্রহীতারই সিবিল স্কোর রয়েছে ৭৩০-এর নীচে। এরফলে তাঁদের জন্য সমস্যা বাড়তে চলেছে। বিশেষ করে এই সমস্যা দেখা যাবে হোম লোন, গাড়ির লোন ও এডুকেশন লোনের ক্ষেত্রে। অন্যদিকে, নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর যে গ্রাহকদের সিবিল স্কোর ভালো ব্যাঙ্ক তাঁদের সুদের হারে অনেক ছাড় অফার করতে পারে। 

Advertisement

ব্যাঙ্ক কী ভাবে ফিউচার রিস্ক বা ভবিষ্যৎ ঝুঁকি বিবেচনা করবে?

ECL কাঠামোর আওতায় ঋণগ্রাহক শুধুমাত্র সময়ে EMI দিচ্ছে কিনা তা দেখা হবে না। বরং ব্য়াঙ্ক একজন ব্যক্তির আর্থিক পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি সামগ্রিক ধারণা দেবে। তার মধ্যে থাকবে অতীতে লোন পরিশোধ করার ইতিহাস,আয়ের স্থিতিশীলতা, মোট  ঋণের পরিমাণ, চাকরি বা ব্যবসার অবস্থা, চালু থাকা ঋণের পরিমাণ এবং সম্পদের ভ্যালু।

তাহলে লোন গ্রাহকদের কী করণীয়?

আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এপ্রিল মাসের ১ তারিখ থেকে এই নতুন নিয়ম লাগু হবে। এমতাবস্থায়  গ্রাহকদের উচিত ক্রেডিট প্রোফাইল সঠিক রাখা। এরজন্য সময়মতো EMI শোধ করতে হবে, নিয়মিত ক্রেডিট কার্ডের বিল মিটিয়ে দিতে হবে এবং অতিরিক্ত ঋণ নেওয়া থেকে সরে আসতে হবে। এই সবই ক্রেডিট স্কোর আরও ভালো করতে সাহায্য করতে পারে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী বছর থেকে ঋণগ্রাহকদের কাছে ভালো CIBIL স্কোর  মূল্যবান আর্থিক সম্পদে পরিণত হতে পারে। ভালো সিবিল স্কোর শুধুমাত্র লোনের অনুমোদন সহজ করবে তাই নয়, বরং ঋণের EMI-ও কমাতে সাহায্য করবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement