Advertisement

গরমের মধ্যেই বাড়বে বিয়ারের দাম? কেন্দ্র সরকারের দ্বারস্থ একাধিক কোম্পানি

যুদ্ধের আঁচে পুড়ছে ভারতীয় বিয়ার বাজারও। অবস্থা এমন যে, কাচের বোতল ও অ্যালুমিনিয়াম ক্যানের ওপর থেকে ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক সাময়িকভাবে তুলে নেওয়ার জন্য সরকারকে অনুরোধ করল একাধিক কোম্পানি।

কেন্দ্র সরকারের দ্বারস্থ মদ কোম্পানিকেন্দ্র সরকারের দ্বারস্থ মদ কোম্পানি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 11 Apr 2026,
  • अपडेटेड 4:45 PM IST
  • মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে এবার বেকায়দায় মদ কোম্পানিগুলি।
  • যুদ্ধের আঁচে পুড়ছে ভারতীয় বিয়ার বাজারও।
  • ভারতের প্রায় ৬৫ ​​বিলিয়ন ডলারের মদের বাজার বর্তমানে চাপের মধ্যে রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে এবার বেকায়দায় মদ কোম্পানিগুলি। যুদ্ধের আঁচে পুড়ছে ভারতীয় বিয়ার বাজারও। অবস্থা এমন যে, কাচের বোতল ও অ্যালুমিনিয়াম ক্যানের ওপর থেকে ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক সাময়িকভাবে তুলে নেওয়ার জন্য সরকারকে অনুরোধ করল ইউরোপীয় শিল্পগোষ্ঠী ‘ফেডারেশন অফ ইউরোপিয়ান বিজনেসেস ইন ইন্ডিয়া’। উল্লেখ্য বিষয় হল,  এই গোষ্ঠীতে রয়েছে পার্নো রিকার্ড, অ্যানহাইজার-বুশ ইনবেভ, হাইনেকেন এবং কার্লসবার্গের মতো বড় বড় সংস্থাও।

২ এপ্রিল এই সংস্থার পক্ষ থেকে সরকারকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় উৎপাদকরা পূর্ণ উৎপাদন ক্ষমতায় কাজ করতে পারছেন না। এর ফলে কাচের বোতল ও ক্যানের সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়েছে। যা কোম্পানিগুলোর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

৬৫ বিলিয়ন ডলারের শিল্পখাতে ক্রমবর্ধমান সঙ্কট

ভারতের প্রায় ৬৫ ​​বিলিয়ন ডলারের মদের বাজার বর্তমানে চাপের মধ্যে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কটের কারণে কাচ, কার্টন এবং লেবেলের মতো মোড়কজাতকরণ সামগ্রীর দাম বেড়ে গিয়েছে। 

অন্যদিকে, ভারতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ রাজ্যে মূল্যবৃদ্ধির জন্য সরকারি অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। ফলে, কোম্পানিগুলো বর্ধিত খরচ সরাসরি গ্রাহকদের ওপর চাপাতে পারছে না এবং নিজেরাই ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এই শিল্পে কাঁচামালের খরচ ইতিমধ্যে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কোম্পানিগুলো যদি অন্য দেশ থেকে প্যাকেজিং সামগ্রী সংগ্রহ করে, তাহলে এই খরচ ৩০% পর্যন্ত বাড়তে পারে।

এই কারণেই মদ শিল্পের সংস্থাগুলি “অ্যালুমিনিয়ামের ক্যান ও কাচের বোতলের ওপর শুল্কে অস্থায়ী ছাড়” দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।

বিয়ার শিল্পও সোচ্চার

শুধুমাত্র ইউরোপীয়ান গোষ্ঠী নয়, ব্রুয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়াও এই একই দাবি জানিয়ে সরকারকে চিঠি লিখেছে। বিভিন্ন রাজ্যের সংস্থাগুলি দাম বাড়ানোর অনুমতি চেয়েছে, কিন্তু সরকার বর্তমানে অনুমোদন দিতে দ্বিধাগ্রস্ত।

ব্রুয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া-র ডিরেক্টর জেনারেল বিনোদ গিরি দাবি করেছেন,"যুদ্ধের কারণে দেশে কাচের বোতল ও ক্যানের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। চাহিদা মেটাতে আমদানি অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।"

Advertisement

এছাড়াও, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি এবং রুপির দুর্বলতা ভারতীয় আমদানিকারকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সরকারের জন্যও ঝুঁকি কত?

বিয়ার শিল্প থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫.৫২ বিলিয়ন ডলার কর আদায় হয়। এর সরবরাহ ব্যাহত হলে তা সরকারি রাজস্বের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।


 
Read more!
Advertisement
Advertisement