
পাসপোর্ট নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র কি না, সেই বিতর্কের মধ্যেই পাসপোর্ট করানোর ফি বাড়াল সরকার। ১৪ বছর পরে এই ফি বাড়ল। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পাসপোর্ট করতে খরচ হবে ২৫০০ টাকা এবং তৎকাল পদ্ধতিতে খরচ হবে ৫০০০ টাকা। দেশের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে পাসপোর্টের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এখন প্রায় সকলের কাছেই পাসপোর্ট রয়েছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক পাসপোর্ট (সংশোধনী) আইন ২০২৬-এর আওতায় এই সংশোধিত ফি কাঠামোর বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।। এটি ১ জুলাই, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। এর অর্থ হলো, এখন থেকে পাসপোর্ট পেতে বা সেটা পুনর্নবীকরণ করাতে কিংবা হারিয়ে গেলে ফের নতুন পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে আপনাকে আরও বেশি টাকা খরচ করতে হবে।
৩৬ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের নতুন ফি
এখনও পর্যন্ত ৩৬ পৃষ্ঠার সাধারণ পাসপোর্টের ফি ছিল ১,৫০০ টাকা, কিন্তু ১ জুলাই থেকে এর জন্য আপনার পকেট থেকে খসবে ২,৫০০ টাকা। তবে, কেউ যদি তৎকাল পরিষেবার অধীনে ৩৬ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট পেতে চান, তাহলে ফি ৩,৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫,০০০ টাকা করা হয়েছে।
৬০ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি-ও বাড়ানো হয়েছে
যাঁরা খুব ঘন ঘন বিদেশ সফর করেন এবং ৬০ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট করান, তাঁদের এখন থেকে বেশি ফি দিতে হবে। আগে একটি সাধারণ পাসপোর্টের খরচ ছিল ২০০০ টাকা, কিন্তু এখন ফি হবে ৩,৫০০ টাকা। তৎকাল পরিষেবার অধীনে ৬০ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ৪,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬,০০০ টাকা করা হয়েছে। এই নতুন ফি পাসপোর্ট। এই নতুন ফি পাসপোর্ট পুনর্নবীকরণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে
আপনার পাসপোস্ট হারিয়ে গেলে, চুরি হয়ে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, নুন পাসপোর্টের জন্য বেশি ফি দিতে হবে। ৩৬ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের প্রতিস্থাপন ফি সাধারণ বিভাগের জন্য ৫,০০০ টাকা এবং জরুরি পরিষেবার জন্য ৭,৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬০-পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপন ফি সাধারণ বিভাগের জন্য ৬,০০০ টাকা এবং জরুরি পরিষেবার জন্য ৮,৫০০ টাকা।