Advertisement

No Petrol Bike from 2028: এপ্রিল ২০২৮ থেকে পেট্রোল বাইক-স্কুটি বিক্রি বন্ধ, নয়া ইভি নীতির ঘোষণা দিল্লিতে

২০২৮ থেকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ হচ্ছে পেট্রোল বাইক-স্কুটার রেজিস্ট্রেশন। নতুন 'ইভি নীতি' পাস করল দিল্লির রেখা গুপ্তর সরকার।

 নতুন 'ইভি নীতি' পাস করল রেখা গুপ্তর সরকার। নতুন 'ইভি নীতি' পাস করল রেখা গুপ্তর সরকার।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 30 Jun 2026,
  • अपडेटेड 2:31 PM IST
  • দূষণ নিয়ন্ত্রণে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন।
  • ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস থেকে দিল্লিতে আর নতুন পেট্রোলচালিত মোটরসাইকেল ও স্কুটার কেনা যাবে না।
  • বিক্রি এবং রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হবে।

No Petrol Bike from 2028: দূষণ নিয়ন্ত্রণে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন। আগামী ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস থেকে দিল্লিতে আর নতুন পেট্রোলচালিত মোটরসাইকেল ও স্কুটার কেনা যাবে না। বিক্রি এবং রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হবে। সোমবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তর নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট 'দিল্লি ইভি পলিসি ২০২৬' (Delhi EV Policy 2026)-এ অনুমোদন দেয়। ১ জুলাই থেকে এই নতুন নীতি দেশজুড়ে কার্যকর হতে চলেছে। নয়া নিয়ম অনুযায়ী, এই নির্দিষ্ট সময়সীমার পর থেকে দেশের রাজধানীতে নতুন কোনও পেট্রোল বা সিএনজি চালিত দু’চাকার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন করানো যাবে না। শুধুমাত্র ইলেকট্রিক টু-হুইলারই (EV) ছাড়পত্র পাবে।

যাঁদের এখনই পেট্রোল বাইক-স্কুটি আছে?
যাঁদের ইতিমধ্যেই পুরনো পেট্রোল বাইক রয়েছে, তাঁদের চালানোয় কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। এই নিয়ম শুধুমাত্র নতুন গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ইভি-র বিক্রি বাড়াতে ভর্তুকি
দিল্লির পরিবহন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব বা 'জিরো এমিশন' জোনে পরিণত করার টার্গেট নিয়েছে দিল্লি। আগামী ২০৩০ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই বিশেষ নীতি লাগু থাকবে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ৭,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে কর ছাড় এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন মিলিয়ে মোট সুবিধা প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকারও বেশি বলে দাবি দিল্লি সরকারের। 

এন্ট্রি লেভেল ইলেকট্রিক স্কুটার বা বাইকের দাম এখনও পেট্রোল টু-হুইলারের তুলনায় বেশি। তাই দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে ভর্তুকির(Subsidy) দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। দামী ইভি স্কুটার/বাইক কিনলে সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি। তবে প্রথম বছরের পর ধীরে ধীরে ভর্তুকি কমিয়েও দেওয়া হবে।

প্রথম বছর: ব্যাটারি প্যাকের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে (প্রতি কিলোওয়াট-আওয়ারে ১০,০০০ টাকা) সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত সরাসরি ক্যাশব্যাক বা ভর্তুকি পাবেন। তবে শর্ত একটাই, গাড়ির এক্স-শোরুম দাম ২.২৫ লক্ষ টাকার নিচে হতে হবে।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় বছর: ভর্তুকির পরিমাণ কমিয়ে যথাক্রমে ২০,০০০ টাকা এবং ১০,০০০ টাকা করা হবে।

স্ক্র্যাপেজ ইনসেন্টিভ: যদি কেউ তাঁর পুরনো বিএস-৪ (BS4) বা তার চেয়েও পুরনো পেট্রোল বাইক স্ক্র্যাপ বা বাতিল করে নতুন ইভি কেনেন, তবে তিনি আরও ১০,০০০ টাকা অতিরিক্ত ছাড় পাবেন।

Advertisement

চার্জিংয়ের সমস্যা মেটাতে পুরো দিল্লি জুড়ে নতুন করে ৩০,০০০টি ইভি চার্জিং পয়েন্ট তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে প্রশাসন।

ওলা, এথার, টিভিএস, বাজাজের পোয়াবারো!
দিল্লি সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতের ইভি মার্কেটের সংস্থাগুলিরই সবচেয়ে বেশি লাভ হবে। আথার এনার্জি এবং ওলা ইলেকট্রিক-এর মতো ইভি স্টার্টআপগুলির বিক্রি বাড়বে। বাজাজ অটো (চেতক ইভি), হিরো মোটোকর্প (ভিডা সিরিজ) এবং টিভিএস মোটর কোম্পানিও (আইকিউব ও অরবিটার) এই বাজারে ঢুকে আছে। তবে তাদের সাধারণ টু-হুইলারের তুলনায় ইভি-র বিত্রি কম। নতুন নিয়ম চালু হলে ইলেকট্রিক গাড়ির বিক্রি এক ধাক্কায় বহুগুণ বেড়ে যাবে।

তবে প্রশ্ন একটাই। আপাতত না হয় শুধু দিল্লিতেই এই পেট্রোল টু-হুইলারের বিক্রি বন্ধ করা হচ্ছে। কিন্তু আগামিদিনে কি ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও এই একই ইভি নীতি নেওয়া হবে? এখনও ফুল টাইম ইভি চালানোর মতো চার্জিং বা ব্যাটারি সোয়াপিং নেটওয়ার্ক কি এদেশে আছে? সেই প্রশ্নই তুলছেন আম বাইকচালকরা।  

Read more!
Advertisement
Advertisement