Advertisement

Delhi EV Policy 2028: ২০২৮ থেকে পেট্রোল বাইক-স্কুটি বন্ধ? বড় প্রস্তাব দিল্লির

২০২৮ থেকে কি আর নতুন পেট্রোল বাইকের রেজিস্ট্রেশন হবে না? রাজধানীতে দূষণ কমাতে ২০২৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে নতুন পেট্রোলচালিত দু'চাকার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন বন্ধ করার প্রস্তাব এনেছে দিল্লি সরকার। নতুন ইলেকট্রিক ভেহিকল (EV) নীতির খসড়ায় এই প্রস্তাব ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

২০২৮ থেকে কি আর নতুন পেট্রোল বাইকের রেজিস্ট্রেশন হবে না? বড় সিদ্ধান্তের পথে দিল্লি, শুরু বিতর্ক২০২৮ থেকে কি আর নতুন পেট্রোল বাইকের রেজিস্ট্রেশন হবে না? বড় সিদ্ধান্তের পথে দিল্লি, শুরু বিতর্ক
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 26 Jun 2026,
  • अपडेटेड 5:12 PM IST
  • ২০২৮ থেকে নতুন করে আর পেট্রোলচালিত বাইক-স্কুটির রেজিস্ট্রেশন হবে না।
  • প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৮ সালের ১ এপ্রিল থেকেই এই নিয়ম লাগুর প্ল্যান।
  • এখন যে ইভি পলিসি চলছে, তার মেয়াদ আগামী ৩০ জুন শেষ হয়ে যাবে।

Delhi EV Policy 2028: ২০২৮ থেকে নতুন করে আর পেট্রোলচালিত বাইক-স্কুটির রেজিস্ট্রেশন হবে না। এমনই প্রস্তাব করা হল দিল্লির নতুন ইলেকট্রিক ভেহিকল (EV) নীতিতে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৮ সালের ১ এপ্রিল থেকেই এই নিয়ম লাগুর প্ল্যান। অর্থাৎ, ওই সময়ের পর থেকে শুধুমাত্র নতুন ইলেকট্রিক টু-হুইলারই রেজিস্ট্রেশন করানো যাবে। এখন যে ইভি পলিসি চলছে, তার মেয়াদ আগামী ৩০ জুন শেষ হয়ে যাবে। তার পরেই এই নতুন EV Policy 2.0 কার্যকর হতে পারে। সেই নীতির খসড়াতেই এহেন প্রস্তাব করা হয়েছে। দিল্লি সরকারের যুক্তি, রাজধানীর মোট যানবাহনের প্রায় ৬৭ শতাংশই টু-হুইলার। য়ুদূষণ কমাতে এই ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। সরকারের আশা, নতুন নিয়ম এবং ভর্তুকি চালু হলে বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়বে।

তবে এই প্রস্তাবে ইতিমধ্যেই আপত্তি তুলেছে অটোমোবাইল সেক্টরের একাংশ। তাঁদের দাবি, এখনও বহু সাধারণ মানুষের কাছে পেট্রোলচালিত মোটরবাইকই সবচেয়ে সস্তার অপশন। তাই একেবারে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে তাঁরা খুব বিপদে পড়বেন। 

সত্যি বলতে আমজনতার বাইক-স্কুটি বলতে এখনও সেই স্প্লেন্ডার, পালসার, অ্যাকটিভা। সেগুলিই এখন ১ লাখের উপর দাম। একটু ভাল কোয়ালিটির ইলেকট্রিক স্কুটি-বাইক কিনতে গেলেই দেড় লাখ খরচ পড়ে। 

তাছাড়া এখনও সেভাবে ফাস্ট চার্জিংয়ের ব্যবস্থা নেই। যাঁরা রোজ জার্নি করেন বা লং রাইড করতে চান, তাঁদের খুবই সমস্যা হবে। 

দিল্লির খসড়া ইভি নীতি
দিল্লির খসড়া ইভি নীতি

শুধু তাই নয়, ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যাটারি তৈরিতে যে সেল এবং বিরল খনিজ লাগে, সেগুলি বিদেশ থেকেই আমদানি করতে হয়। দেশে উৎপাদিত বিদ্যুতের বড় অংশ এখনও কয়লার বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেই আসে। ফলে পরিবেশের দিক থেকে কতটুকু লাভ হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

ভারতের গাড়ি প্রস্তুতকারকদের সংগঠন SIAM (Society of Indian Automobile Manufacturers)-ও এই প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, বর্তমানে BS-6.2 এমিশন স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলে, এমন পেট্রোলচালিত দু'চাকার গাড়ি আগের তুলনায় অনেক কম দূষণ ছড়ায়। তাই নতুন গাড়ির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিবর্তে পুরনো এবং বেশি দূষণকারী যানবাহন ধাপে ধাপে সরানোর উপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

Advertisement

নয়া নীতিতে ইভি ক্রেতাদের আর্থিক সুবিধারও প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ২.২৫ লক্ষ টাকা (এক্স-শোরুম) পর্যন্ত দামের বৈদ্যুতিক দু'চাকার গাড়ি কিনলে প্রথম বছরে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি মিলতে পারে। যদিও পরবর্তী কয়েক বছরে এই ভর্তুকির পরিমাণ ধাপে ধাপে কমবে।

এখন নজর দিল্লি সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। খসড়া নীতিতে থাকা এই প্রস্তাব অপরিবর্তিত থাকবে? নাকি শিল্পমহলের আপত্তির ভিত্তিতে তাতে পরিবর্তন আনা হবে? সেদিকেই তাকিয়ে সকলে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement