
হাতে দু'দিনের ছুটি পেলেই বাঙালি ছোটে দিঘার উদ্দেশে। কলকাতার এত কাছাকাছি এত জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত থাকায় উইকেন্ড হলিডে হিসেবে দিঘার জুড়ি মেলা ভার। পরিবার থেকে শুরু করে, বন্ধু-বান্ধবদের ছুটি কাটাতে দিঘা আজও অন্যতম সেরা। দিনে দিনে বাইক রাইডিং যত জনপ্রিয় হচ্ছে, তত দিঘা যাওয়ার ক্ষেত্রেও বহু মানুষ বাইকেই সফর করছেন। যারা কলকাতা থেকে বাইক নিয়ে দিঘা যেতে চাইছেন, তাঁদের জন্য রয়েছে সেরা শর্টকার্ট রাস্তা। বিশেষ করে যারা কলকাতার দক্ষিণ অংশে থাকেন, তাঁদের জন্য দেখানো হচ্ছে কলকাতা থেকে দিঘা যাওয়ার সেরা শর্টকার্ট রাস্তা।
এখানে যে রাস্তাটির কথা বলা হচ্ছে, এই রাস্তায় গেলে কোনও বাইকারের প্রায় ২৫ কিমি রাস্তা কম হতে পারে। কীভাবে, কোন রুটে যেতে হবে? দেখে নেওয়া যাক।
ধরে নেওয়া যাক কোনও বাইকার যাত্রা শুরু করছেন টালিগঞ্জ থেকে। তিনি যদি উলুবেড়িয়া, কোলাঘাট হয়ে নন্দকুমার যেতে চান সেক্ষেত্রে নন্দকুমার পর্যন্ত তাঁর দূরত্ব হবে ৯৭ কিমি। এরপর দিঘার দূরত্ব আরও ৮৭ কিমি। অর্থাৎ মোট রাস্তাটি ১৮৪ কিমি।
কিন্তু এখানে যে শর্টকার্ট রাস্তার কথা বলা হচ্ছে, সেই রুটে গেলে এই দূরত্ব অনেকটাই কমে আসবে। টালিগঞ্জ থেকে প্রচলিত রুটে নন্দকুমার না গিয়ে, কোনও বাইকার যদি বাইক নিয়ে রায়চক ফেরি ঘাট আসেন, সেক্ষেত্রে দূরত্ব হবে ৪৫ কিমি। এই রাস্তা আসতে মোটামুটি সময় লাগবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। ভোরের দিকে সময় আরও কম লাগতে পারে। এরপর রায়চক ফেরি ঘাট থেকে বাইক সহ বোটে করে নদী পারাপার করে পৌঁছতে হবে কাকুরহাটি ফেরিঘাটে। এরজন্য ভাড়া লাগবে ৫০-৬০ টাকা। এরপর কাকুরহাটি ফেরিঘাট থেকে নন্দকুমার ৩০ কিমি রাস্তা। যা পার করতে সময় লাগবে ৪০ মিনিটের কাছাকাছি। অর্থাৎ টালিগঞ্জ থেকে নন্দকুমারের দূরত্ব পড়বে মাত্র ৭৫ কিমি। এরপর দিঘার দূরত্ব আরও ৮৭ কিমি। অর্থাৎ মোট রাস্তা ১৬২ কিমি।
এর সহজ অর্থ হল নৌকা করে নদী পার হলে ২৪ কিমি রাস্তা কম পড়বে। তবে যারা কলকাতার উত্তরাংশ বা দমদম, কল্যাণী এদিকে থাকেন, তাঁদের ক্ষেত্রে দুটি রাস্তাই সমান।