Advertisement

Digital Payment Safety: কিউআর কোড স্ক্যান করে টাকা দেন? যাচাই না করলে নিমেষে খালি হবে অ্যাকাউন্ট

ডিজিটাল পেমেন্টের এই সুবিধার সুযোগ নিয়ে এখন অনেক প্রতারকও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমান সময়ে কেনাকাটা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে ডিজিটাল পেমেন্ট বা অনলাইন লেনদেন এখন মানুষের প্রথম পছন্দ। বিশেষ করে স্মার্টফোনের মাধ্যমে কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে টাকা পাঠানো অত্যন্ত সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

ডিজিটাল পেমেন্টডিজিটাল পেমেন্ট
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Jul 2026,
  • अपडेटेड 5:01 PM IST
  • বর্তমানে ডিজিটাল পেমেন্টের যুগে প্রায় সব জায়গাতেই কিউআর কোড ব্যবহার করা হচ্ছে।

বর্তমানে ডিজিটাল পেমেন্টের যুগে প্রায় সব জায়গাতেই কিউআর কোড ব্যবহার করা হচ্ছে। ছোট দোকান থেকে বড় শপিং মল, সব জায়গাতেই গ্রাহকরা মোবাইল দিয়ে কোড স্ক্যান করে সহজেই টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন। ডিজিটাল পেমেন্টের এই সুবিধার সুযোগ নিয়ে এখন অনেক প্রতারকও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমান সময়ে কেনাকাটা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে ডিজিটাল পেমেন্ট বা অনলাইন লেনদেন এখন মানুষের প্রথম পছন্দ। বিশেষ করে স্মার্টফোনের মাধ্যমে কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে টাকা পাঠানো অত্যন্ত সহজ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

অনেক সময় তারা আসল কিউআর কোডের জায়গায় নকল কোড লাগিয়ে দেয়, আর মানুষ না বুঝেই টাকা পাঠিয়ে ফেলেন প্রতারকের অ্যাকাউন্টে। কিউআর কোড স্ক্যান করে টাকা পাঠানোর আগে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই যাচাই করা খুব জরুরি।

কীভাবে বুঝবেন
সবচেয়ে আগে স্ক্যান করার পরে যে নাম দেখায় সেটি ভাল করে দেখুন। যখন আপনি ফোন দিয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করেন, তখন পেমেন্ট অ্যাপে সেই অ্যাকাউন্টের নাম দেখায় যেখানে টাকা যাবে। যদি নামটি দোকানের নাম বা যাকে টাকা দিচ্ছেন তার নামের সঙ্গে না মেলে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে পেমেন্ট বন্ধ করুন। নাম না মিললে কখনই টাকা পাঠাবেন না। কিউআর কোডটি ভাল করে দেখুন। অনেক সময় প্রতারকরা আসল কোডের উপর নতুন একটি স্টিকার লাগিয়ে দেয়। তাই যদি দেখেন কোডের উপর আরেকটি স্টিকার লাগানো রয়েছে, বা কোডটি একটু বেঁকে আছে বা আলগা মনে হচ্ছে তাহলে সতর্ক হয়ে যান। এমন ক্ষেত্রে দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করে নেওয়াই ভাল।

অচেনা কিউআর স্কোড
অচেনা কারও পাঠানো কিউআর কোড কখনই স্ক্যান করবেন না। অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপ বা এসএমএসে কেউ কিউআর কোড পাঠিয়ে বলে, এটি স্ক্যান করলে আপনি টাকা পাবেন। বাস্তবে কিউআর কোড স্ক্যান করলে টাকা পাওয়া যায় না, বরং অনেক সময় উল্টো টাকা কেটে যেতে পারে। কিউআর কোড স্ক্যান করার পর যদি কোনও সন্দেহজনক ওয়েবসাইট খুলে যায়, তাহলে সেখানে কোনও ব্যক্তিগত তথ্য বা ব্যাঙ্কের তথ্য দেবেন না। অনেক সময় এই ধরনের ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি করে প্রতারণা করা হয়।

Advertisement

সন্দেহ দূর করুন
আরেকটি সহজ উপায় হল, সন্দেহ হলে দোকানদার বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া। অনেক দোকানেই এখন একাধিক কিউআর কোড থাকে, তাই ভুল কোড স্ক্যান হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল পেমেন্ট যতই সহজ হোক না কেন, একটু অসাবধান হলেই বড় আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। টাকা পাঠানোর আগে কয়েক সেকেন্ড সময় নিয়ে নাম, কোড এবং তথ্য যাচাই করা খুবই জরুরি। স্ক্যান করার আগে যাচাই করুন, তাহলেই নিরাপদ থাকবে আপনার ডিজিটাল পেমেন্ট।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement