
বর্ষাকালেও জ্বালাপোড়া গরম থেকে রেহাই নেই। আর তাই অধিকাংশ দিনই দিনের শেষে, কাজ থেকে ঘেমেনেয়ে ফিরে রাতে একটু এসি-র হাওয়ায় জিরিয়ে নিতে পছন্দ করেন সকলেই। তাই বৃষ্টি হলেও ঘরে ঘরে এসি চালানো বন্ধ হয়নি। অথচ মাস পেরলেই মোটা অঙ্কের ইলেকট্রিক বিল। তবে ভুল করেও এসি-র রিমোটে একটি সুইচ চিপবেন না। তাহলে বিরাট অঙ্কের ইলেকট্রিক বিল থেকে আপনাকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। কোন সুইচ সেটি?
এক একটি সংস্থার এক একটি এসি-র কার্যপ্রণালী ভিন্ন। প্রথমে এর ভিতরের ইউনিটের ব্লোয়ারটি চালু হয়। তারপর প্রায় ১-২ মিনিট পর কম্প্রেসারটি চালু হয়।
কম্প্রেসার চালু হলে তবেই কেবল এসি ঠান্ডা করা শুরু করে। অনেকে গরম সহ্য করতে না পেরে সঙ্গে সঙ্গে টার্বো মোড চালু করে দেয়। বেশিরভাগ এসি রিমোটে টার্বো মোড থাকে। এই টার্বো মোড তাৎক্ষণিক ভাবে কম্প্রেসার চালু করে দেয়। এসি-তে টার্বো মোড চালু করলে তাৎক্ষণিক ঠান্ডা হয় কিন্তু এতে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়।
টার্বো মোড সাধারণ মোডের চেয়ে বেশি শক্তি খরচ করে। যদিও এটি শক্তি বাড়ায়, তবে তা খুবই সামান্য। এসির ভিতরে টার্বো মোড সাধারণত ২০-৩০ মিনিটের জন্য চালু থাকে। নির্দিষ্ট সময় শেষ হয়ে গেলে টার্বো মোড স্বয়ংক্রিয় ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
এসি-তে টার্বো মোড দেওয়া থাকে, কারণ যখন আপনার ঘরের তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে চলে যায় তখন তাৎক্ষণিক ঠান্ডার প্রয়োজন হয়।
বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এসিতে টার্বো মোডের নাম ভিন্ন হতে পারে। কিছু ব্র্যান্ড একে পাওয়ারফুল মোড বলে থাকে।