Advertisement

শিয়ালদা রুটে রেলের সাফাই অভিযান, 'নোংরাতম' স্টেশন কোনটা জানেন?

স্টেশন চত্বর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে গত কয়েকমাস ধরেই অভিযান চালাচ্ছিল পূর্ব রেল। মূলত পূর্ব রেলের-এর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হাউসকিপিং ম্যানেজমেন্ট (EnHM) বিভাগ এই অভিযান চালাচ্ছিল।

শিয়ালদা রুটের একাধিক স্টেশনে রেলের সাফাই অভিযানশিয়ালদা রুটের একাধিক স্টেশনে রেলের সাফাই অভিযান
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 22 Mar 2026,
  • अपडेटेड 2:11 PM IST
  • স্টেশন চত্বর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে গত কয়েকমাস ধরেই অভিযান চালাচ্ছিল পূর্ব রেল।
  • রিপোর্ট সামনে আসতেই চক্ষু চড়কগাছ শিয়ালদা ডিভিশনের রেলপ্রেমীদের।
  • "ব্ল্যাক স্পট" বা ময়লার ভাগাড়গুলোকে উচ্ছেদের লক্ষ্যে এই অভিযান।

স্টেশন চত্বর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে গত কয়েকমাস ধরেই অভিযান চালাচ্ছিল পূর্ব রেল। মূলত পূর্ব রেলের-এর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হাউসকিপিং ম্যানেজমেন্ট (EnHM) বিভাগ এই অভিযান চালাচ্ছিল। শনিবার পূর্ব রেলের তরফে এই অভিযানের সফলতা ঘোষণা করে সামনে আনা হয় বর্জ্য অপসারণের রিপোর্ট। আর সেই রিপোর্ট সামনে আসতেই চক্ষু চড়কগাছ শিয়ালদা ডিভিশনের রেলপ্রেমীদের।

রেলের তরফে বলা হয়েছে, শিয়ালদা ডিভিশন জুড়ে দীর্ঘদিনের "ব্ল্যাক স্পট" বা ময়লার ভাগাড়গুলোকে উচ্ছেদের লক্ষ্যে চালানো এই অভিযানে ২৫,০০০ স্কোয়ার ফুটে এলাকা থেকে ৪০০ টনেরও বেশি আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে। যা শহরতলি রেল নেটওয়ার্কের চেহারা বদলে দিয়েছে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল, সন্তোষপুর এবং বাঘাযতীন স্টেশন চত্বরে ৪০০০ স্কোয়ার ফুট এলাকা থেকে ১০০ টন করে আবর্জনা সরানো হয়েছে। রেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই দুটি স্টেশন থেকেই সবচেয়ে বেশি বর্জ্য উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়াও, শিয়ালদা স্টেশনে ৪,০০০ স্কোয়ার ফুট এলাকা থেকে ৫০ টন বর্জ্য পরিষ্কার করা হয়েছে। অন্যান্য প্রধান এলাকাগুলোর মধ্যে মগরাহাটে ২,০০০ স্কোয়ারফুট থেকে ৩৫ টন; পাতিপুকুর ও টালায় ৩০ টন করে; এবং বিধাননগর ও কলকাতা স্টেশনে ২০ টন করে আবর্জনা সরানো হয়েছে। এছাড়া লেক গার্ডেন ও সোদপুরে ১০ টন করে, সোনারপুরে ৬ টন এবং হালিশহর ও আগরপাড়ায় ৫ টন করে আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে। নিউ গড়িয়া স্টেশনেও ৮০০ স্কোয়ারফুট এলাকা থেকে ৪ টন বর্জ্য সরানো হয়েছে।

রেলের তরফে জানানো হয়েছে, পরিসংখ্যানের বাইরেও  রেলের এলাকায় থাকা নানা জনাকীর্ণ ও বাজার সংলগ্ন জায়গাগুলোর পরিষ্কার করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এই জায়গাগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে আবর্জনা ফেলা হচ্ছিল। যেমন টালিগঞ্জ স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের বুকিং কাউন্টার সংলগ্ন রাস্তাটি স্থানীয় বাজারের বর্জ্য পড়ে পড়ে প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেগুলি স্যানিটাইজ ও পরিষ্কার করা হয়েছে।

Advertisement

পূর্ব রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হাউসকিপিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এই সক্রিয় পদক্ষেপের লক্ষ্য হল সাধারণ মানুষ এবং স্থানীয় বিক্রেতাদের রেলওয়ে চত্বরকে ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখা। যাত্রীদের জন্য নোংরা পরিবেশের বদলে সবুজ ও নান্দনিক জায়গা তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি, পুরো ডিভিশনে একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করা।   

 

Read more!
Advertisement
Advertisement