
রাজ্যজুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডিমের দাম। গত এক থেকে দেড়'মাসের মধ্যে দেখতে দেখতে ডিমের দাম ট্রে প্রতি বেড়ে গিয়েছে ৪০ টাকা। যার জেরে খুচরো দোকানেও প্রতি পিস ডিমের রেট বেড়েছে ১ থেকে ১.৫০ টাকা। ফলে সহজলভ্য ও সস্তার প্রোটিন কিনতে গিয়েও পকেটের কথা ভাবতে হচ্ছে আমজনতাকে।
গত ৪ জুন অর্থাৎ আজ থেকে ঠিক ৪০ দিন আগে পাইকারি বাজারে ডিমের ট্রে প্রতি দাম ছিল ১৮৬ টাকা। খুচরো বাজারে সেই রেট ছিল ২০০- ২০৫ টাকার মধ্যে। কিন্তু তারপরেই ১৪ জুনের মধ্যে দেখা যায় ডিমের দাম পৌঁছে যায় পাইকারি বাজারে ২০৬ টাকা। আর খুচরো বাজারে বিকোতে শুরু করে ২২০-২২৫ টাকা।
কিন্তু দামের ঊর্ধ্বমুখী দৌড় তখনও শেষ হয়নি। আজ থেকে ১০ দিন আগে ৪ জুলাই ডিমের ট্রে-র পাইকারি রেট ছিল ২১২ টাকার আশেপাশে। খুচরো বাজারে ২২৫-২৩০ টাকা ছিল ট্রে প্রতি দাম। কিন্তু আজ পাইকারি বাজারে ডিমের ট্রে-র পাইকারি রেট রয়েছে ২২৫ টাকা। অন্যদিকে, খুচরো বাজারে দাম রয়েছে ২৩৯-২৪২ টাকার মধ্যে। অর্থাৎ আজ বাজারে খুচরো ডিম প্রতি পিসের দাম রয়েছে সাড়ে ৭ থেকে ৮ টাকা।
ডিমের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ফেডারেশনের সভাপতি মদন মাইতি bangla.aajtak.in-কে জানান, "মুরগির খাবারের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি হচ্ছে। সেই কারণেই মুরগি প্রতিপালনে খরচ বাড়ছে চাষিদের। কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির কারণেই ডিমের দামও চড়ছে। আমরা আশা করেছিলাম গরমের পর এই দাম কমবে, কিন্তু তা হয়নি। সেই কারণেই ডিমের দাম বাড়ছে।"
এর পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, শেষ গরমে প্রচুর পোলট্রি মুরগির ডিম উৎপাদনের ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। বাজারে ডিমের চাহিদা রয়েছে চড়া। ফলে বাজারে চড়চড় করে বাড়ছে ডিমের দাম।
মদন মাইতি বলেন, "আমরা আশা করেছিলাম গরম কমার পরেই মুরগির খাবারের দাম কমবে। কিন্তু তা এখনও হয়নি। আশা করা হচ্ছে আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই খাবারের দাম কমবে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নামতে শুরু করবে ডিমের রেটও।"