Advertisement

PF-এর টাকা ATM থেকে তুলতে গেলেও হতে পারে রিজেক্ট, আসল সমস্যা কোথায়?

এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন ইপিএফও ৩.০ প্ল্যাটফর্মের আওতায় ইনস্ট্যান্ট টাকা তোলার সুবিধা নিয়ে হাজির হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও টাকা তোলার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।

PF-এর টাকা ATM থেকে তুলতে গেলেও হতে পারে রিজেক্টPF-এর টাকা ATM থেকে তুলতে গেলেও হতে পারে রিজেক্ট
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 07 Jul 2026,
  • अपडेटेड 10:37 PM IST
  • এটিএম ও ইউপিআই-এর মাধ্যমে EPFO-র টাকা তোলা যাবে, এই নিয়ে জল্পনা চলছেই।
  • ইপিএফও ৩.০ প্ল্যাটফর্মের আওতায় ইনস্ট্যান্ট টাকা তোলার সুবিধা নিয়ে হাজির হয়েছে।
  • ইনস্ট্যান্ট টাকা তোলার ক্ষেত্রে বড়সড় ফাঁক রয়েছে।

এটিএম ও ইউপিআই-এর মাধ্যমে EPFO-র টাকা তোলা যাবে, এই নিয়ে জল্পনা চলছেই। বিগত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কর্মীরা অধীর আগ্রহে এই সুযোগের অপেক্ষা করছেন। ইপিএফও এর আগে জুলাই মাসে এই পরিষেবা চালুর ইঙ্গিত দিয়েছিল। এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) ইপিএফও ৩.০ প্ল্যাটফর্মের আওতায় ইনস্ট্যান্ট টাকা তোলার সুবিধা নিয়ে হাজির হয়েছে।

তবে দাবি করা হচ্ছে, ইনস্ট্যান্ট টাকা তোলার ক্ষেত্রে বড়সড় ফাঁক রয়েছে। প্রযুক্তিগতভাবে EPFO-র টাকা তোলার ক্ষেত্রে গতি যতই দ্রুত হোক না কেন, নথিপত্রে গরমিল থাকলে ক্লেইম খারিজ হওয়ার সমস্যার সমাধান হবে না।  EPFO-এর বার্ষিক রিপোর্ট অনুসারে, ২০২১-২২ সালে ক্লেইম রিজেক্টের হার ছিল ২৯%, যা ২০২৪-২৫ সালে কমে প্রায় তা ২২%-এ দাঁড়িয়েছে। গত পাঁচ বছরে রিজেক্টের হারে কিছুটা উন্নতি হলেও, এখনও প্রতি পাঁচটি ক্লেইমের মধ্যে একটি রিজেক্ট হয়ে যায়।

কী কী কারণে ক্লেইম রিজেক্ট হয়?

EPFO-এর তথ্য গভীরভাবে নজর করলে দেখা যায়, পিএফ ক্লেইমগুলো রিজেক্ট হওয়ার কারণগুলো প্রযুক্তিগত নয়, বরং প্রশাসনিক এবং রেকর্ড-সম্পর্কিত। এমনকি নতুন সিস্টেমও এই ত্রুটিগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশোধন করতে পারে না। বিশেষত, আধার, প্যান এবং EPFO ​​রেকর্ডে সদস্যের নাম বা বাবার নামের অমিলসহ নামের বানানের অমিলই ক্লেইম রিজেক্ট হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ। 

এছাড়াও, EPFO ​​ডেটাবেস এবং আধার কার্ডে থাকা জন্ম তারিখ আলাদা, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা IFSC কোড সঠিকভাবে লিঙ্ক বা যাচাই না করা, একই সদস্যের একাধিক UAN নম্বর থাকার কারণেও ক্লেইম রিজেক্ট হয়।

EPFO 3.0 ও UPI দিয়ে টাকা তোলা

EPFO 3.0 মূলত একটি প্রযুক্তিগত আপগ্রেডেশন। এরফলে সারা দেশের আঞ্চলিক ডেটাবেসগুলোকে একটি সমন্বিত ব্যাঙ্কিং-ধাঁচের প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরিত করাই উদ্দেশ্য। এর লক্ষ্য হল, পিএফ ক্লেইম এবং পেনশনের প্রক্রিয়াকে দ্রুত করা। এই নতুন ব্যবস্থাটি ইপিএফও-র চালু থাকা নিয়মে কোনও পরিবর্তন আনবে না। সদস্যরা শুধুমাত্র বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী প্রাপ্য অর্থই তুলতে পারবেন। 

Advertisement

এই নতুন সিস্টেমটি ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) নেটওয়ার্ক এবং আধার-ভিত্তিক OTP ব্যবহার করবে। তবে টাকা তোলার জন্য এর UPI-ভিত্তিক ফিচারটি এখনও চালু হয়নি। কবে নাগাদ এই ফিচার চালু হবে, তাও বলা হয়নি।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement