
প্রচণ্ড গরমের মধ্যে কলকাতায় হাঁসফাঁস অবস্থা আমজনতার। ফলে বাড়ছে এসির ব্যবহার। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আসছে ইলেকট্রিক বিলও। এমতাবস্থায় রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা পেতে পারে বঙ্গবাসী। বাংলায় ক্ষমতায় আসার পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রের সব প্রকল্প লাগু করা হবে। সেই অনুযায়ী পিএম সূর্য ঘর যোজনা চালু করা হলে বিরাট সুবিধা পাবে সাধারণ মানুষ। কমবে ইলেকট্রিক বিলের খরচ।
এই সরকারি প্রকল্পের আওতায় যারা নিজেদের বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসাচ্ছেন, তাঁরা ইলেকট্রিক বিলের ঝামেলা থেকে মুক্তি পেয়ে চিন্তা ছাড়াই এসির মজা উপভোগ করছেন।
এই যোজনার আওতায় কী কী সুবিধা পাওয়া যায়?
এই সরকারি স্কিমের আওতায় বিদ্যুৎ বিল ফ্রি হতে পারে। কারণ এই যোজনার আওতায় ৩০০ ইউনিট বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। এছাড়াও, যারা এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করবেন তারা একটি সরকারি ভর্তুকিও পান। অর্থাৎ এই প্রকল্পটি শুধু কয়েক দিনের জন্য বিদ্যুৎ বিলের ঝামেলা থেকে মুক্তি দেয় তাই নয়, বরং ২৫ বছর পর্যন্ত স্বস্তি দেয়। বর্তমানে সারা দেশে ২৬ লক্ষেরও বেশি মানুষ এর থেকে উপকৃত হয়েছেন।
এই যোজনার আওতায় ৩০০ ইউনিট বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পাওয়ার পাশাপাশি, রকার বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর জন্য ৭৮,০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দেয়। ইতিমধ্যেই শুধুমাত্র ভর্তুকি বাবদই ১৭,৯৬৭.৫৩ কোটি টাকা খরচ করেছে কেন্দ্র।
সোলার প্যানেল বসাতে খরচ কত, ভর্তুকি কত?
বাজারে ভর্তুকি ছাড়া সোলার প্যানেল বসানোর খরচ প্রতি কিলোওয়াট ৬০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা। কিন্তু পিএম সূর্য ঘর যোজনার আওতায় সরকার নিজেই এই খরচের ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ ভর্তুকি হিসেবে বহন করে।
১ কিলোওয়াট সোলার প্যানেল বসানোর জন্য সরকার ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দেয়। ২ কিলোওয়াট সিস্টেমের জন্য ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত এবং ৩ কিলোওয়াট বা তার বেশি ক্ষমতার সিস্টেমের জন্য সর্বোচ্চ ৭৮,০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হয়।
২৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ বিলের দুশ্চিন্তা নেই
পিএম সূর্য ঘর যোজনার আওতায়, মাত্র একবার বিনিয়োগ করে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বিনা ইলেকট্রিক বিলে এসি, ফ্রিজ, কুলার এবং লাইট ব্যবহার করতে পারবেন। কারণ এই সোলার প্যানেলগুলি গড় হিসেবে সাধারণত প্রায় ২৫ বছর ধরে চলে বলে দাবি করা হয়।
কীভাবে এই যোজনার আওতায় আবেদন করবেন?