
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে। এমন পরিস্থিতিতে সোনা এবং রুপোর দাম রোজই বাড়ার কথা। কিন্তু তেমনটা হচ্ছে কই! বরং এই দুই ধাতুর দামে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। আজ উঠছে তো পরের দিনই পড়ে যাচ্ছে দাম। এই যেমন আজও দাম কমল সোনা এবং রুপোর। মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে আজ রুপো পড়েছে ২০০০ টাকা। এমনকী সোনার দামও তলিয়ে গিয়েছে। আর সেটাই বিনিয়োগকারীদের দুঃখের খবর।
রুপোর দামে বড় পতন
আজ এমসিএক্স বা কমোডিটি মার্কেটে রুপোর দাম কিছুটা পড়ে যায়। আগের দিনের বৃদ্ধির পর এই পতন দেখে স্বভাবতই মন খারাপ ইনভেস্টরদের।
মঙ্গলবার এই ধাতু ক্লোজিং করেছিল ২৭৭,৮৫০ টাকা প্রতি কেজিতে। কিন্তু আজ এই ধাতুর দাম পড়ে যায় প্রতি কেজিতে ২,২৯৭ টাকা। এর দাম দাঁড়ায় ২৭৫,৫৫৩ টাকা।
আর এই দামটা সিলভারের রেকর্ড হাই থেকে অনেকটাই কম। ২৯ জানুয়ারি ৪ লক্ষ টাকা পেরিয়ে গিয়েছিল এই ধাতুর দাম। তখন সেটা পৌঁছে যায় ৪,২৯,০৪৮ টাকায়। আর সেখান থেকে দাম কমে যায় ১,৪৪,৪৯৫ টাকা। সেই সময় এর দাম কমে হয়ে যায় ২.২৫ টাকা।
সোনার দামও কমল
শুধু রুপো নয়, সেই সঙ্গে খারাপ হাল সোনারও। এই ধাতুর দাম বুধবার বেশ কিছুটা কমেছে। মঙ্গলবার যেখানে ২ এপ্রিল এক্সপায়ারির ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ১,৬৩,৩০৩ টাকা। আর প্রতি ১০ গ্রামে সেটাই বুধবার কমে যায় ৬৫২ টাকা। এটি নেমে আসে ১,৬২,৬৫১ টাকায়। আর সেটাও ভাল খবর নয় বিনিয়োগকারীদের জন্য।
কেন কমছে এই দুই ধাতুর দাম?
এই বিষয়টা বুঝতে গিয়ে ধন্দে পড়ে গিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। তাদের মধ্যে একটা পক্ষ মনে করছে যে এই দুই ধাতুর দাম কমার পিছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। আর তার মধ্যে একটা হল তেলের দাম বৃদ্ধি। এক্ষেত্রে তেলের দাম বাড়তেই অনেকে সেখানে বিনিয়োগ শুরু করেছেন। তার ফলে সোনা, রুপোর দাম কমছে বলে দাবি একাংশের।
তবে মাথায় রাখবেন, এই দাম গহনা সোনার নয়। সেই দাম আলাদা। এটা কমোডিটি এক্সচেঞ্জ মার্কেটের দাম। এই দামে ট্রেডাররা ট্রেড করেন।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।