
পশ্চিমবঙ্গে সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের জন্য পিঙ্ক কার্ড এনেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সেই কার্ড এখনও চালু করাই যায়নি। যার ফলে অনেক মহিলার মনেই প্রশ্ন, ঠিক কতদিন চালু হবে না পিঙ্ক কার্ড? আর সেই উত্তরটা ইতিমধ্যেই পাওয়া গিয়েছে।
কতদিন পিঙ্ক কার্ড চালু হবে না?
সরকারের তরফ থেকে জানান হয়েছে, মোটামুটি দুর্গাপুজোর আগে কোনওভাবেই এই রাজ্যে পিঙ্ক কার্ড চালু করা যাবে না। এরপর হয়তো চালু করা যেতে পারে। কিন্তু সেটাও নিশ্চিত করে ডেডলাইন দিয়ে বলা যাচ্ছে না।
পিঙ্ক কার্ড না পেলে কীভাবে যাতায়াত?
পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং জানিয়েছেন, পিঙ্ক কার্ড এখনই চালু করা যাচ্ছে না। এমনকী দুর্গাপুজোর আগে পর্যন্ত এই কার্ড চালু হবে না বলেই জানালেন তিনি।
এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন হল, তাহলে এতদিন কীভাবে যাতায়াত করা যাবে বাসে? এবার কি মহিলাদের বাসে ভাড়া দিতে হবে? যদিও এই বিষয়ে ভাল খবরই মিলেছে। সরকারি সূত্রে দাবি, এখন ঠিক যেভাবে মহিলারা বাসে চলাচল করতে পারছেন, সেই নিয়মই বজায় থাকবে। এক্ষেত্রে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড দেখিয়েই বাসে চলাচল করা যাবে ফ্রিতে। তাই পিঙ্ক হয়নি বলে যে বাসে ফ্রি পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে, এমনটা নয়।
কেন পিঙ্ক কার্ড চালু করতে সমস্যা?
প্রশাসন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই একাধিক সরকারি প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে। এছাড়া সরকারি বাস নিয়েও কিছু সমস্যা রয়েছে। তাই পিঙ্ক কার্ড চালু করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। মোটামুটি দুর্গাপুজোর আগে পর্যন্ত পিঙ্ক কার্ড চালু করা যাবে না।
বাসেই সমস্যা
বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছেন খোদ পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং। তিনি জানান, বর্তমানে সরকারের হাতে ৭০০টি বাস রয়েছে। যদিও সেগুলির মধ্যে অধিকাংশই যাত্রী নিয়ে চলাচল করার অবস্থায় নেই। বিশেষত, দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীর পরিবহণের ক্ষেত্রেই বাসের অবস্থা খারাপ বলে জানান তিনি।
পাশাপাশি তিনি বাসের ড্রাইভার এবং কন্ডাক্টরের অভাবের কথাও তুলে ধরেন। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত বাসের হাল ফেরাতে চাইছেন অর্জুন। পাশাপাশি বাসের চালক এবং কন্ডাক্টর নিয়োগের বিষয়েও জোর দিচ্ছেন তিনি।
কীভাবে অ্যাপ্লাই?
পিঙ্ক কার্ডে আবেদন করতে গেলে শহর এলাকায় যেতে হবে মিউনিসিপ্যালিটি বা কর্পোরেশনে। পঞ্চায়েতের ক্ষেত্রে যেতে হবে বিডিও বা এসডিও অফিসে। সেখানে গিয়ে ফর্ম ফিলআপ করে জমা দিলেই সমস্যা শেষ।