
রেলে সফরের ক্ষেত্রে নীচের বার্থগুলি সকলেই প্রথম পছন্দ। বয়স্ক ব্যক্তি থেকে শুরু করে প্রেগন্যান্ট মহিলা- সকলের জন্যই নীচের বার্থটাই হয়ে পড়ে স্বাচ্ছন্দ্যময়। তবে অনেকেই জানেন না, রেলের লোয়ার বার্থের সিট রিজার্ভ নিয়ে কিছু নিয়ম রয়েছে। ভারতীয় রেলের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রবীণ নাগরিক এবং ৪৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মহিলা যাত্রীদের টিকিট বুক করার সময় কোনও বার্থের অনুরোধ না থাকলেও, সিট খালি তাকলে অটোমেটিক ভাবে ৪৫ উর্ধ্ব মহিলাদের ওই সিট বরাদ্দ করা হয়।
প্রবীণ নাগরিকরা অগ্রাধিকার পান
ট্রেনে বয়স্ক যাত্রীদের জন্য নীচের বার্থের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে তাঁদের বারবার সিটে উঠতে ও নামতে না হয়। যথেষ্ট পরিমাণে নীচের বার্থ খালি থাকলে, রেলওয়ে রিজার্ভেশন সিস্টেম অটোমেটিক ভাবেই এই ধরনের যাত্রীদের অগ্রাধিকার দেয়। তবে এর মানে এই নয়. যে প্রত্যেক প্রবীণ নাগরিক সব পরিস্থিতিতেই একটি নিচের বার্থ পাবেন।
৪৫ বছরের বেশি বয়সী মহিলাদের জন্য
৪৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মহিলাদেরও নীচের বার্থের জন্য অগ্রাধিকার রয়েছে। টিকিট বুক করার সময় লোয়ার বার্থের অপশন বেছে না নিলেও, সিট খালি থাকলে, রেল নীচের বার্থের ব্যবস্থাই করে। দূরপাল্লার যাতায়াতের ক্ষেত্রে মহিলাদের স্বাচ্ছন্দ্য দিতেই এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
গর্ভবতী মহিলাদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা
গর্ভবতী মহিলাদের জন্য লোয়ার সিটের ক্ষেত্রে রেলের বিশেষ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। গর্ভাবস্থায় উপরের বা মাঝের বার্থে ওঠা কঠিন এবং অস্বস্তিকর হতে পারে। তাই রেলের নিয়মে বর্তমানে আলাদা আলাদা বিভাগে প্রবীণ নাগরিক, ৪৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মহিলা এবং গর্ভবতী মহিলাদের জন্য কোটা থাকে।
রেলের তথ্য অনুযায়ী, স্লিপার ক্লাসের প্রতি কোচে ৬ থেকে ৭টি লোয়ার বার্থ, ৩এসি-তে ৪ থেকে ৫টি লোয়ার বার্থ এবং ২এসি-তে ৩ থেকে ৪টি লোয়ার বার্থ রিজার্ভ থাকে। তবে ট্রেনে সেই কোন ক্লাসের কোচ কতগুলি রয়েছে,তার উপর নির্ভর করে এই সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।