
তালা খুলছে বন্ধ জুটমিলগুলির। ফের গতি পাবে পাটশিল্প।ক্ষমতায় আসার আগেই বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বন্ধ জুটমিলগুলি খুলবে। তা নিয়েই বড় পদক্ষেপ নিলেন শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং। জুন থেকেই এক এক করে চটকলগুলি খোলা হচ্ছিল।
মঙ্গলবার হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব বর্ধমানের ইন্ডিয়া জুট, হেস্টিংস, গোন্দোলপাড়া, এম্পায়ার, লুমটেক্স, শক্তিগড় এবং হাওড়া জুটমিলের মালিকপক্ষ ও শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শ্রমমন্ত্রী। ১০ জুলাইয়ের মধ্যে বন্ধ থাকা রাজ্যের সব ক'টি জুট মিল খুলতে চলেছে। প্রায় ২০ হাজারের উপর চটকল শ্রমিক পুনরায় কাজে ফিরতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
তৃণমূলের শাসনামলে একের পর এক জুটমিল বন্ধ হয়ে যায়। কাজ হারান হাজার হাজার চটকল শ্রমিক। অনেকেই রাজ্য ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে পরিযায়ী হন। এবার চটকলগুলি খুললে বাংলার অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে। এর পাশাপাশি পাটের পণ্যের উৎপাদনও বাড়বে।
চটের বস্তা
পাটশিল্পে গতি ফিরলে চটের থলি বা বস্তার উৎপাদন বাড়বে। খাদ্যশস্য ও অন্যান্য সামগ্রী প্যাকেজিং করার জন্য এগুলি ব্যবহার করা হয়।
পাটের দড়ি: পাটের দড়ি খুব কাজে লাগে। চটকল খুললে ফের পাটের তৈরি সুতো ও দড়ির উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
ইকো ফ্রেন্ডলি পাটপণ্য: প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে পাটের তৈরি ইকো-ফ্রেন্ডলি পণ্য, ব্যাগ এবং কার্পেট ব্যাকিয়ের উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। পাটের ব্যবহার বাড়িয়ে এই পণ্যগুলি তৈরি আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। দেশে বিদেশে রফতানি করা গেলে বাংলা তথা দেশের অর্থনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলবে।
হস্তশিল্প, গৃহসজ্জা, ফ্যাশনেও চটের ব্যবহার বাড়বে। ধুঁকতে থাকা শিল্পে নতুন করে মুনাফা পাবে পাট বিক্রেতারা।