Advertisement

Annapurna Yojana Status Check: অন্নপূর্ণা যোজনার নতুন আবেদনকারীরা ১ জুলাই ৩০০০ টাকা পাবেন? এভাবে আগেভাগেই জানুন

আপনি কি অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana) আবেদন করেছেন? তাহলে এই খবরটি আপার জন্য অত্যন্ত জরুরি। কারণ জুন মাসে যাঁরা এই প্রকল্পের আবেদন করেছেন তারা আর্থিক সহায়তা পাবেন কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। ইতিমধ্যেই আবেদনকারীরা ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে তাঁদের আবেদনের সর্বশেষ পরিস্থিতি বা 'স্ট্যাটাস' পরীক্ষা করার সুযোগ পাচ্ছেন। কীভাবে দেখবেন নিজের নাম ও স্টেটাস, জেনে নিন এখানে।

  ১ জুলাই থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন? ১ জুলাই থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 28 Jun 2026,
  • अपडेटेड 4:13 PM IST

আপনি কি অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana) আবেদন করেছেন? তাহলে এই খবরটি আপার জন্য অত্যন্ত জরুরি। কারণ জুন মাসে যাঁরা এই প্রকল্পের আবেদন করেছেন তারা আর্থিক সহায়তা পাবেন কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। ইতিমধ্যেই আবেদনকারীরা ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে তাঁদের আবেদনের সর্বশেষ পরিস্থিতি বা 'স্ট্যাটাস' পরীক্ষা করার সুযোগ পাচ্ছেন।  কীভাবে দেখবেন নিজের নাম ও স্টেটাস, জেনে নিন এখানে। 

সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ১ জুলাই অন্নপূর্ণা যোজনার পরবর্তী  কিস্তি দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই এক কোটির বেশি আবেদন জমা পড়েছে। তা ভেরিফিকেশন করে পোর্টালে আপলোড করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, আপনি কীভাবে বুঝবেন যে এক কোটির তালিকায় আদৌ আপনার নাম রয়েছে কি না? অন্নপূর্ণা যোজনা'র পোর্টালে আপনার নাম রয়েছে কিনা, বাড়িতে বসে স্মার্টফোনেই দেখে নিতে পারবেন। কারণ, স্ট্যাটাস চেক করা এখন খুবই সহজ, চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

আবেদনকারীরা এখন খুব সহজেই রাজ্যের সামাজিক সুরক্ষা পোর্টালের (Social Security portal) নির্দিষ্ট ‘অ্যাপ্লিকেশন ট্র্যাকিং’ অপশনে গিয়ে নিজেদের আবেদনের অবস্থা জানতে পারছেন। এই পোর্টালে ঢুকে আবেদনপত্রের রেফারেন্স নম্বর, আধার নম্বর, নথিভুক্ত মোবাইল নম্বর এবং ক্যাপচা কোড দিলেই স্ক্রিনে ভেসে উঠছে আবেদনের বর্তমান পরিস্থিতি। 

পুরো প্রক্রিয়াটি জেনে নিন-
আবেদনকারীরা সোশ্যাল সিকিউরিটি পোর্টালে গিয়ে 'অন্নপূর্ণা যোজনা'য় নিজেদের স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন। স্মার্টফোন হোক বা ল্যাপটপ, যে কোনও জায়গায় থেকেই দেখার সুযোগ রয়েছে। প্রথমেই সোশ্যাল সিকিউরিটি পোর্টালে লগ ইন করুন। এরপর 'অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস' বা 'ট্র্যাক অ্যাপ্লিকেশন' অপশনে ক্লিক করেন। এবার অ্যাপ্লিকেশন নম্বর, আধার নম্বর, মোবাইল নম্বর দিন। সঙ্গে সঙ্গে স্মার্টফোনে আপনার ওটিপি চলে আসবে। ওটিপি নিয়ে ভেরিফিকেশন করলেই আবেদনের স্ট্যাটাস দেখাবে। আবেদনের স্ট্যাটাস যদি 'অ্যাপ্রুভ', 'ভেরিফায়েড', 'পেমেন্ট প্রোসেস' দেখায়, তাহলে বুঝবেন আপনার জমা দেওয়া নথিপত্র ভেরিফিকেশন হয়ে গিয়েছে। সরকারের তরফে টাকা ট্রান্সফারের প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ ১ জুলাই আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩০০০ টাকা ঢুকবে।

Advertisement

ডিবিটি লিঙ্ক জরুরি
প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, যাঁদের আবেদনের স্থিতি বা স্ট্যাটাসে ‘অ্যাপ্রুভড’, ‘ভেরিফাইড’ কিংবা ‘পেমেন্ট প্রসেসড’ দেখাচ্ছে, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ‘ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার’ বা ডিবিটি (DBT) ব্যবস্থার মাধ্যমে জুলাই মাসের টাকা পৌঁছে যাবে। অন্যদিকে, নথিপত্রে খামতি বা অন্য কোনো কারণে যাঁদের আবেদন এখনও ‘পেন্ডিং ভেরিফিকেশন’ অর্থাৎ স্ক্রুটিনির স্তরে আটকে রয়েছে, তাঁদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত টাকা দেওয়া হবে না। অন্যদিকে, যাঁদের আবেদন কোনও কারণে সম্পূর্ণ ‘রিজেক্ট’ বা বাতিল হয়ে গেছে, তাঁরা জুলাইয়ের এই প্রথম দফার সুবিধা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হতে চলেছেন। ত্রুটি সংশোধন করে নতুন করে আবেদনের সুযোগ না মেলা পর্যন্ত এই বাদ পড়া আবেদনকারীরা কোনও আর্থিক সাহায্য পাবেন না বলেই জানা গেছে। যদি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ডিবিটি লিঙ্ক থাকে, তবেই এই প্রকল্পের টাকা পাবেন। যদি 'পেন্ডিং ভেরিফিকেশন' দেখায়, তাহলে বুঝবেন আপনার জমা দেওয়া ডকুমেন্ট যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। পয়লা জুলাইয়ের মধ্যে নথিপত্র যাচাই না হলে জুলাই মাসে কিন্তু টাকা পাবেন না।

 শর্ত পূরণ করতে হবে
এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য হতে আবেদনকারীদের কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে। আবেদনকারী অবশ্যই মহিলা হতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। বয়স অবশ্যই ২৫-৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে। আয়করদাতা হওয়া যাবে না। স্থায়ী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী অথবা রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকার, পঞ্চায়েত, বিধিবদ্ধ সংস্থা, স্থানীয় সংস্থা, পৌরসভা বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত বেতন বা পেনশন গ্রহণকারীদের যোজনার টাকা দেওয়া যাবে না। পশ্চিমবঙ্গের কোনও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক বা অশিক্ষক পদে নিযুক্ত থাকা যাবে না। আবেদনের জন্য ভোটার কার্ড অর্থাৎ এপিক নম্বর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁরা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে থাকলে সেই তথ্য দিতে হবে। কিন্তু তালিকায় নাম না থাকলে তারা আবেদনই করতে পারবেন না।

জরুরি বিষয়
অন্নপূর্ণা যোজনায় নাম নথিভুক্ত করতে https://socialregistry.wb.gov.in/ এ গিয়ে আবেদনকারীকে লগ ইন করে সব তথ্য জমা দিতে হবে। আপনার নাম অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে নথিভুক্ত আছে কি না তা দেখতে https://www.govtschemes.in/west-bengal-annapurna-bhandar-scheme এই লিঙ্কে ক্লিক করে জেনে নিতে পারবেন বাড়িতে বসেই। স্ট্যাটাস চেক করতে প্রথমে নিজের রাজ্য বেছে নিয়ে স্ক্রল করে Annapurna Bhandar Scheme Official Portal Link অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর https://socialsecurity.wb.gov.in/login পেজটি আসলে Track Application Status-এ ক্লিক করে নিজের নাম নথিভুক্ত আছে কিনা এবং জুন মাসে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে কিনা তা দেখে নিতে পারবেন। Track Application Status-এ ক্লিক করলে Search Using অপশন এ Select-এ নিজেদের ফোন নম্বর বা আধার নম্বর কিংবা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরের একটি অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর Enter Value-তে নম্বরটি দিয়ে ক্যাপচা সঠিকভাবে দিয়ে Search করে নিতে হবে। সেখানেই নিজের অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস, এমনকি কত টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকবে তা জেনে নিতে পারবেন। যদি অ্যাপ্রুভড বা পেমেন্ট প্রসেসড দেখায় তাহলে জুলাই মাসের প্রথম কিস্তির টাকা আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ‘ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার’ বা ডিবিটি (DBT) ব্যবস্থার মাধ্যমে পৌঁছে যাবে। পেন্ডিং ভেরিফিকেশন দেখালে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত টাকা দেওয়া হবে না।যদি কারও রিজেক্টেড দেখায় তাহলে তাঁরা জুলাইয়ের এই প্রথম দফার সুবিধা পাবেন না। ত্রুটি বের করে তাঁদের নতুন করে আবেদন করতে হবে।

Read more!
Advertisement
Advertisement