Advertisement

Dhaka to Kolkata New Train: পদ্মা সেতুর কল্যাণে কলকাতার-আগরতলা ৩১ ঘন্টার যাত্রা কমে হচ্ছে ৫ ঘন্টা

বর্তমানে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে তিনটি ট্রেন মৈত্রী, বন্ধন এবং মিতালী এক্সপ্রেস চলাচল করে। এরমধ্যে কলকাতা-ঢাকা মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রস ও কলকাতা ও খুলনার মধ্যে বন্ধন এক্সপ্রেস রয়েছে। এছাড়া নিউ জলপাইগুড়ি ও ঢাকার মধ্যে রয়েছে মিতালি এক্সপ্রেস।

পদ্মা সেতুর কল্যাণে কলকাতার-আগরতলা ৩১ ঘন্টার যাত্রা কমে হচ্ছে ৫ ঘন্টাপদ্মা সেতুর কল্যাণে কলকাতার-আগরতলা ৩১ ঘন্টার যাত্রা কমে হচ্ছে ৫ ঘন্টা
Aajtak Bangla
  • ঢাকা,
  • 12 Sep 2023,
  • अपडेटेड 8:16 AM IST
  • আগরতলা-কলকাতার ৩১ ঘন্টার যাত্রাপথ
  • কমে হবে ৫ ঘন্টা, সময় লাগবে ৬ গুণ কম
  • পদ্মা সেতুর সুবিধা তুলবে ভারত

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-ভাঙ্গা রেলপথে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল করেছে। সেদেশের রাজধানী ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনযাত্রার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী । তবে আগামী ১০ অক্টোবর পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৮২ কিলোমিটার রেলপথের উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৮০ শতাংশ, মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৯৬.৫০ শতাংশ এবং ভাঙ্গা থেকে যশোর অংশে ৭৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৪ সালের জুন মাসে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এরপরই রেলপথে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে কলকাতা পৌঁছতে এখন যে ৩১ ঘণ্টা লাগে তা থেকে মুক্তি পাবেন যাত্রীরা।

৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার চালু হয়ে যাচ্ছে আগরতলা-আখাউড়া রেলপথ। এর ফলে ২ ঘণ্টায় আগরতলা থেকে পৌঁছানো যাবে ঢাকায়। তারপর ৩ ঘণ্টায় শিয়ালদা। অর্থাৎ ৩১ ঘন্টার পথ যেতে লাগবে ৫ ঘন্টা। ত্রিপুরার মানুষ এবং কলকাতার মানুষ এই সুযোগ পাবে বাংলাদেশে নবনির্মিত পদ্মা সেতুর কল্যাণে। পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকা-কলকাতা যাত্রা অনেক সুগম হয়ে যাচ্ছে। ৩ ঘণ্টায় কলকাতা-ঢাকা চলাচল করবে ট্রেন। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার আগে আগরতলা-আখাউড়া রুটে ট্রেন চলতো।

বর্তমানে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে তিনটি ট্রেন মৈত্রী, বন্ধন এবং মিতালী এক্সপ্রেস চলাচল করে। এরমধ্যে কলকাতা-ঢাকা মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রস ও কলকাতা ও খুলনার মধ্যে বন্ধন এক্সপ্রেস রয়েছে। এছাড়া  নিউ জলপাইগুড়ি ও ঢাকার মধ্যে রয়েছে  মিতালি এক্সপ্রেস। তবে দিন দিন যাত্রীসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে আরও ট্রেনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে দুই দেশ। এছাড়াও ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও নিবিড় করার জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও উন্নতি আনা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের তরফ থেকেই ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement