Advertisement

Share Market Risk LIC: শেয়ার বাজারের ঝুঁকি এড়িয়ে নিশ্চিত রিটার্ন, LIC-র এই স্কিমে ৫ বছরে ১ লাখ টাকা কত হবে জানেন?

ভারত সরকারের অধীনস্থ লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশন দীর্ঘদিন ধরেই দেশের অন্যতম ভরসাযোগ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। সেই সংস্থার হাউজিং ফাইন্যান্স ফিক্সড ডিপোজিট স্কিমে বিনিয়োগ করলে শেয়ার বাজারের অস্থিরতা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। কারণ এই বিনিয়োগের সঙ্গে বাজারের দৈনিক ওঠানামার কোনও সম্পর্ক নেই।

শেয়ার বাজারের ঝুঁকি এড়িয়ে নিশ্চিত রিটার্ন, LIC-র এই স্কিমে ৫ বছরে ১ লাখ টাকা কোথায় যাবে জানেন?শেয়ার বাজারের ঝুঁকি এড়িয়ে নিশ্চিত রিটার্ন, LIC-র এই স্কিমে ৫ বছরে ১ লাখ টাকা কোথায় যাবে জানেন?
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 25 Jun 2026,
  • अपडेटेड 6:46 PM IST

শেয়ার বাজারের ওঠানামা এবং বিনিয়োগের অনিশ্চয়তার কারণে বর্তমানে অনেকেই নিরাপদ বিনিয়োগের বিকল্প খুঁজছেন। অন্যদিকে ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হারও ধীরে ধীরে কমছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট এবং তুলনামূলক নিরাপদ রিটার্নের জন্য অনেকের নজর পড়ছে লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশনের হাউজিং ফাইন্যান্স ডিপোজিট স্কিমের দিকে।

ভারত সরকারের অধীনস্থ লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশন দীর্ঘদিন ধরেই দেশের অন্যতম ভরসাযোগ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। সেই সংস্থার হাউজিং ফাইন্যান্স ফিক্সড ডিপোজিট স্কিমে বিনিয়োগ করলে শেয়ার বাজারের অস্থিরতা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। কারণ এই বিনিয়োগের সঙ্গে বাজারের দৈনিক ওঠানামার কোনও সম্পর্ক নেই।

এই স্কিমের অন্যতম বড় আকর্ষণ হল নির্দিষ্ট সময়ের পর নিশ্চিত রিটার্ন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কোনও ব্যক্তি পাঁচ বছরের জন্য ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন, তাহলে মেয়াদ শেষে তিনি প্রায় ৩৪ হাজার টাকা সুদ পেতে পারেন। অর্থাৎ মোট প্রাপ্তির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। ফলে যাঁরা ঝুঁকিমুক্ত উপায়ে সঞ্চয় বাড়াতে চান, তাঁদের কাছে এই স্কিম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হতে পারে।

লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশনের হাউজিং ফাইন্যান্স ফিক্সড ডিপোজিট স্কিমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বার্ষিক ৬.৭০ শতাংশ থেকে ৬.৯০ শতাংশ পর্যন্ত সুদের সুবিধা দেওয়া হয়ে থাকে। বিনিয়োগের মেয়াদ এবং অন্যান্য শর্ত অনুযায়ী এই সুদের হার প্রযোজ্য হয়।

প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এই স্কিমে অতিরিক্ত সুবিধাও রয়েছে। সিনিয়র সিটিজেন বিনিয়োগকারীরা সাধারণ সুদের হারের সঙ্গে অতিরিক্ত ০.২৫ শতাংশ সুদ পেয়ে থাকেন। ফলে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য এটি নিয়মিত আয়ের একটি আকর্ষণীয় মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তবে যে কোনও আর্থিক প্রকল্পে বিনিয়োগ করার আগে সংশ্লিষ্ট শর্তাবলি ভালোভাবে জেনে নেওয়া এবং প্রয়োজনে আর্থিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নিজের আর্থিক লক্ষ্য এবং ঝুঁকি গ্রহণের ক্ষমতা বিবেচনা করেই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement