
রান্নার গ্যাস বা এলপিজি গ্রাহকদের দ্রুত করিয়ে ফেলতে হবে ই-কেওয়াইসি। এটি সেরে ফেলার লাস্ট ডেট ১৬ অগাস্ট। এই সময়ের মধ্যে ই-কেওয়াইসি না করলেই বড় সমস্যায় পড়তে পারেন। তবে মুশকিল হল, এখনও অনেকেই করেননি ইকেওয়াইস। তাঁরা জানেনও না ঠিক কোন কোন ডকুমেন্ট দিয়ে করতে হবে ই-কেওয়াইসি। আর সেই প্রশ্নের উত্তরটাই দেওয়া হল নিবন্ধটিতে।
কেন ই-কেওয়াসি?
আসলে রান্নার এলপিজি গ্যাসের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই মতো একই নামে একাধিক গ্যাস ও ভুয়ো তথ্য দিয়ে গ্যাসের কানেকশনগুলিকে চিহ্নিত করে বাতিল করতে চাইছে তেল সংস্থাগুলি। তাই ই-কেওয়াইসি হয়েছে বাধ্যতামূলক। এই কাজটা সেরে ফেলতে হবে ১৬ অগাস্টের মধ্যে।
কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?
এই বিষয়টা অনেকবার স্পষ্ট করে দিয়েছে অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি। সেক্ষেত্রে এই ৪ ডকুমেন্ট সঙ্গে রাখা মাস্ট-
১. আধার কার্ড
২. গ্যাস কানেকশনের পাসবুক
৩. এলপিজি গ্রাহক নম্বর
৪. আধার কার্ডের সঙ্গে লিঙ্ক থাকা মোবাইল নম্বর
তাই সবার প্রথমে এই সব ডকুমেন্ট সঙ্গে রাখুন। তারপর করতে হবে ই-কেওয়াইসি। তাহলে খুব সহজেই কাজটা করে ফেলতে পারবেন।
কীভাবে করতে হবে ই-কেওয়াইসি?
অনলাইন এবং অফলাইন, দুইভাবেই করা যাবে ই-কেওয়াইসি। তাই যাঁর যেই পদ্ধতিতে সুবিধা হবে, সেই পদ্ধতি মেনে ই-কেওয়াইসি করুন।
অনলাইনে কীভাবে করবেন?
অনলাইনে ই-কেওয়াইসি করা খুবই সহজ। সেক্ষেত্রে সবার প্রথমে যেতে হবে গ্যাসের অফিস। সেখানে গিয়ে নিজের পাসবুক এবং আধার কার্ড দেখান। দিয়ে দিন নিজের আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বর। তারপর আপনার আঙুলের ছাপ দিয়ে বায়োমেট্রিক কমপ্লিট করা যাবে।
অনলাইনেও হবে ই-কেওয়াইসি
অনলাইনে অনায়াসে করা যাবে ই-কেওয়াসি। সেক্ষেত্রে এই স্টেপগুলি মেনে চলুন-
মাথায় রাখবেন, এলপিজি ই-ভেরিফিকেশন খুবই জরুরি। নইলে গ্যাসের কানেকশন নিয়ে সমস্যা হতে পারে। তাই এই ভুল আর নয়। বরং বাড়িতে বসে বা গ্যাসের অফিসে গিয়েই কাজটা সেরে ফেলুন। তাহলেই সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারবেন।