Advertisement

US Iran War Effect: দিনে ১৭০০ কোটি টাকার ক্ষতি, সঙ্কটে তেল কোম্পানিগুলি, শীঘ্রই দাম নিয়ে সিদ্ধান্ত

আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনার জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ রুট হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার একাধিক দেশ জ্বালানি সঙ্কটের মুখে পড়েছে। এমনকি এর প্রভাব পড়েছে ভারতেও। এলপিজি সরবরাহে চাপ থেকে শুরু করে অপরিশোধিত তেলের জোগান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 11 May 2026,
  • अपडेटेड 7:56 AM IST
  • হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনার জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।
  • হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার একাধিক দেশ জ্বালানি সঙ্কটের মুখে পড়েছে।
  • পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র সরকার।

আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনার জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ রুট হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার একাধিক দেশ জ্বালানি সঙ্কটের মুখে পড়েছে। এমনকি এর প্রভাব পড়েছে ভারতেও। এলপিজি সরবরাহে চাপ থেকে শুরু করে অপরিশোধিত তেলের জোগান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যদিও পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র সরকার। মোদী সরকারের 'প্ল্যান বি' এক্ষেত্রে দারুণ কাজ করেছে বলে মানছেন বিশেষজ্ঞরা।

সঙ্কটের শুরুতেই দেশীয় LPG উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কয়েক দিনের মধ্যেই দৈনিক উৎপাদন ৩৬ হাজার টন থেকে বাড়িয়ে ৫৪ হাজার টন করা হয়। পাশাপাশি পেট্রোল ও ডিজেলের উপর আবগারি শুল্কও কমানো হয়। যদিও এলপিজির দাম কিছুটা বেড়েছে, তবুও সঙ্কটের পর থেকেও দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

তবে এরফলে বড়সড় আর্থিক চাপে পড়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল সংস্থাগুলি। সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও পুরনো দামে পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রি করায় প্রতিদিন প্রায় ১,৬০০ থেকে ১,৭০০ কোটি টাকার আন্ডার-রিকভারি বা লোকসানের মুখে পড়ছে তেল সংস্থাগুলি।

রিপোর্ট মোতাবেক, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন, ভারত পেট্রোলিয়াম এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন গত প্রায় ১০ সপ্তাহ ধরে পুরনো দামে জ্বালানি বিক্রি করছে। সূত্রের দাবি, এই সময়ে সংস্থাগুলির মোট আন্ডার-রিকভারির পরিমাণ ১ লক্ষ কোটি টাকার গণ্ডি পেরিয়েছে।

সরকারি নির্দেশ মেনে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লেও তেল কোম্পানিগুলি দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রেখেছে। বর্তমানে ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি, ৯০ শতাংশ এলপিজি আমদানি এবং ৬৫ শতাংশ এলএনজি আমদানি এই সঙ্কটের প্রভাবে পড়েছে। তা সত্ত্বেও দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম রয়েছে স্থির।

এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান থেকে ব্রিটেন, বহু দেশেই জ্বালানির দামে অনেকটা বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। অবশ্য মার্চ মাসে গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা বাড়ানো হলেও তা এখনও প্রকৃত খরচের তুলনায় কম বলেই দাবি করা হচ্ছে।

Advertisement

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি এমন চড়াভাবে বজায় থাকলে তেল কোম্পানিগুলির উপর আর্থিক চাপ আরও বাড়বে। ঋণ নেওয়ার প্রয়োজনও দেখা দিতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হবে কি না, তা শেষ পর্যন্ত সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের উপরই নির্ভর করবে। বিজনেস টুডে'র একটি সূত্রের দাবি, আগামী ১৫ মে-র আগেই দেশে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement