Advertisement

Petrol Diesel Gas Price: পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়তে পারে ৪-৫ টাকা, LPG-র কত? বড় খবর

বাড়তে পারে পেট্রোল-ডিজ়েলের দাম। সরকারি সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই জ্বালানির দাম লিটার প্রতি ৪ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। একই সঙ্গে বাড়ির রান্নার এলপিজি সিলিন্ডারের দামও ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 বাড়ির রান্নার এলপিজি সিলিন্ডারের দামও ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাড়ির রান্নার এলপিজি সিলিন্ডারের দামও ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 01 May 2026,
  • अपडेटेड 8:35 PM IST

বাড়তে পারে পেট্রোল-ডিজ়েলের দাম। সরকারি সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই জ্বালানির দাম লিটার প্রতি ৪ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। একই সঙ্গে বাড়ির রান্নার এলপিজি সিলিন্ডারের দামও ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে পারে কেন্দ্র।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। যদিও এখনও আলোচনা চলছে। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা করা হয়নি। তবে পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে কেন্দ্র। বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের দাম বাড়ছে। ফলে চাপ বাড়ছে তেল বিপণন সংস্থাগুলির উপর।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের পর থেকে দেশে পেট্রোল এবং ডিজ়েলের রিটেল প্রাইসে কোনও বড় পরিবর্তন হয়নি। ফলে প্রায় চার বছর পর ফের জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহণ খরচ, বাজারদর এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।

সরকারি সূত্রের দাবি, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলির আর্থিক চাপ ক্রমশ বাড়ছে। খুচরো বাজারে দাম স্থির থাকলেও আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় সংস্থাগুলির লোকসান বাড়ছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় অর্থনীতির উপরও তার প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়লে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের উপর আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে। রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি মানেই মাসিক সংসার খরচ আরও বাড়া। বিশেষ করে শহর ও গ্রামাঞ্চলের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের উপর তার প্রভাব বেশি পড়তে পারে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞেরা।

সরকারি মহলের একাংশের দাবি, মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল্যস্ফীতি এবং সাধারণ মানুষের উপর তার প্রভাব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ, জ্বালানির দাম বাড়লে সামগ্রিক বাজারদরেও তার প্রভাব পড়ে। তাই একদিকে তেল সংস্থাগুলির ক্ষতি কমানো এবং অন্যদিকে সাধারণ মানুষের উপর চাপ সীমিত রাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে সরকার।

Advertisement

বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে যদি ক্রুড অয়েলের দাম আরও বাড়তে থাকে, তা হলে ভবিষ্যতে আরও চাপ তৈরি হতে পারে। সেই কারণেই এখন থেকেই পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। যদিও সরকার এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই পেট্রোল, ডিজ়েল এবং এলপিজির দাম নিয়ে বড়সড় ঘোষণা আসতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এখন নজর কেন্দ্রের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement