
E20 পেট্রোল নিয়ে নিজের দাবিতে অনড় কেন্দ্র। এবার এর সুবিধার পক্ষে জোর সওয়াল সরকারের পক্ষ থেকে। কেন্দ্রের দাবি, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের সময় অপরিশোধিত তেলের দাম বেশি থাকা সত্ত্বেও পেট্রোলের দাম ভারতে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি। এর কারণ, E20 নীতি এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।
ই ২০ নিয়ে তীব্র ক্ষোভের মধ্যেই সরকার এক সপ্তাহের মধ্যে চতুর্থবারের মতো এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। দাবি করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ যখন তুঙ্গে ছিল, তখন পেট্রোলের দাম প্রতি লিটার ১২৫ টাকায় পৌঁছে যেতে পারত।
পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইরান যুদ্ধের সময় বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৩৫ ডলারে (প্রায় ১৩,০০০ ভারতীয় মুদ্রা) পৌঁছেছিল। অনুমান করা যেতে পারে, এই দামের সঙ্গে পাল্লা দিতে ভারতেও পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ১২৫ টাকা ছুঁয়ে যেত। কিন্তু দেশের পেট্রেলে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানোর কারণে, লিটার প্রতি পেট্রোলের গড় দাম প্রায় ৯৫ টাকায় স্থির ছিল।
সরকারের দাবি, ২০% দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ইথানল মেশানোর কারণে গ্রাহকরা প্রতি লিটার পেট্রোল ৯৪.৭৭ টাকায় কিনেছেন। ইথানল ছাড়া পেট্রোল প্রতি লিটার ১২৫ টাকা হতে পারত। কিন্তু ইথানল মেশানোর কারণেই প্রতি লিটারে প্রায় ৩০ টাকা করে সাশ্রয় করেছেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি পেট্রোলের সঙ্গে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানোর কারণে সরকার বিরোধী দল ও উপভোক্তা সংগঠনগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। অনেক গাড়ির মালিক দাবি করেছেন যে, ই২০ পেট্রোল ব্যবহারে গাড়ির মাইলেজ কমে গেছে এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বেড়েছে। তবে, সরকার এই দাবিগুলো খারিজ করে দিয়েছে।
E20-তে কী সুবিধা?
সরকারের দাবি, E20-এর অন্যতম বড় সুবিধা হলো, বিশ্বের অস্থির তেলের দামের উপর ভারতের জ্বালানি বাজারের নির্ভরশীলতা হ্রাস পাওয়া। প্রায় ৮৫ শতাংশ শেয়ার নিয়ে ভারত অপরিশোধিত তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক।