
যদি ২০২৬ সালে বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করে থাকেন, তবে এই খবরটি আপনার কাজে লাগতে পারে। রিয়েল এস্টেট বাজারের ওঠানামার মধ্যে সঠিক সময়ে সঠিক সম্পত্তি বেছে নেওয়া সহজ নয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, তাড়াহুড়ো না করে বিচক্ষণতার সঙ্গে কাজ করাই বেশি জরুরি।
বেসিক হোম লোনস-এর CEO এবং কো-ফাউন্ডার অতুল মঙ্গার মতে, বাড়ি কেনার সময় সঠিক বাজার সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে দীর্ঘমেয়াদী ভ্যালুর উপর মনোযোগ দেওয়া ভালো। এছাড়াও, সম্পত্তির অবস্থান, আশেপাশের পরিকাঠামো এবং ভবিষ্যতের উন্নয়নের সম্ভাবনাও গুরুত্বপূর্ণ। ভালো জায়গায় একটি বাড়ি কেনা হলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও ভালো রিটার্ন দিতে পারে।
ঋণ নেওয়ার আগে প্রস্তুতি নিন
যারা প্রথমবার বাড়ি কিনতে যাচ্ছেন, তাঁদের আর্থিক পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি। ঋণ নেওয়ার আগে যোগ্যতা এবং পরিশোধের ক্ষমতা যাচাই করে নিন। আজকাল অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অফারগুলো তুলনা করতে পারেন।
শুধুমাত্র ইএমআই-এর উপর মনোযোগ দেওয়া ঠিক না
বিশেষজ্ঞ অতুল মঙ্গা জানাচ্ছেন, মানুষ প্রায়ই শুধুমাত্র ইএমআই এবং সুদের হারের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু এতে সম্পূর্ণ ছবিটি ফুটে ওঠে না। বাড়ি কেনার সঙ্গে আরও অনেক খরচ জড়িত থাকে যা অবহেলা করা উচিত নয়। এর মধ্যে রয়েছে স্ট্যাম্প ডিউটি, রেজিস্ট্রেশন ফি, প্রসেসিং ফি, আইনি খরচ, বীমা, কর এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচ।
খরচগুলো আগে থেকেই জেনে নিন
বাড়ি কেনার সঙ্গে প্রাথমিক খরচ জড়িত থাকে। এগুলো যাচাই করা না হলে, পরবর্তীতে তা আর্থিক চাপের কারণ হতে পারে। তাই, বাড়ি কেনার আগেই আপনার সম্পূর্ণ বাজেট পরিকল্পনা করুন।
২০২৬ সালের বাজারের প্রবণতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, বাড়ি এখন আর শুধু বসবাসের জায়গা নয়, বরং একটি নিরাপদ বিনিয়োগও বটে। মেট্রো করিডোর, নতুন এক্সপ্রেসওয়ে এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলির কাছাকাছি অবস্থিত সম্পত্তিগুলির চাহিদা ও দাম উভয়ই বজায় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বাড়ি বেছে নেওয়ার সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে উন্নতির কথা বিবেচনা করে তবেই বাড়ি কেনা উচিত।